বাস্তবতার একক অ্যালগরিদম: জটিলতা তত্ত্ব কীভাবে আমাদের বিশ্বব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছে

লেখক: lee author

বাস্তবতার একক অ্যালগরিদম: জটিলতা তত্ত্ব কীভাবে আমাদের বিশ্বব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছে-1
সব কিছুর একটি তত্ত্ব

❓ প্রশ্ন:

প্রিয় lee, মনে হচ্ছে আপনি কোয়ান্টাম মেকানিক্স সম্পর্কে বেশি জানেন, তবে সামাজিক বিজ্ঞান নিয়ে আমার একটি প্রশ্ন আছে। যাই হোক, আমার ধারণা সামাজিক বিজ্ঞান সরাসরি বিশ্বব্যবস্থা বা বিশ্বের পরিবর্তনের ওপর প্রভাব ফেলে অথবা অনুপ্রেরণা জোগায়। বর্তমানে এই বিজ্ঞানে কোনো কিছুর অভাব রয়েছে বলে আমার মনে হয়। কেউ কেউ হয়তো বলবেন যে সবকিছুই সামাজিকভাবে নির্মিত; এছাড়াও আছে 'মোর-দ্যান-হিউম্যান জিওগ্রাফি', 'মোর-দ্যান-ফিজিক্যাল জিওগ্রাফি', 'ডিকলোনিয়াল জিওগ্রাফি' এবং উত্তর-কাঠামোবাদীদের তত্ত্ব, যারা বলেন যে স্থান এবং প্রেক্ষাপটের কোনো নির্দিষ্ট একক অর্থ নেই। তারা মনে করেন মানুষ তার সংস্কৃতি, ভাষা ও সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে এগুলোকে ভিন্নভাবে উপলব্ধি করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কোথাও যেন একটি অপূর্ণতা রয়ে গেছে; মনে হচ্ছে যেন কোনো প্রায়োগিক ও যৌক্তিক ভিত্তি নেই অথবা হয়তো এর মূল উদ্দেশ্যটিই হারিয়ে গেছে। তারা তো আর এখনই বলতে পারবে না যে এর মূলে রয়েছে ভালোবাসা এবং সবকিছুই আসলে অভিন্ন বা এক (অন্তত এখন পর্যন্ত)।

অবশ্যই, এই ধরনের বিষয়গুলোকে একটি মাত্র তত্ত্বের ফ্রেমে বাঁধানো কঠিন। তবে বর্তমান যুগে বিজ্ঞান যেহেতু মানুষের চিন্তাধারা এবং সমাজের বিবর্তনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে, তাই আপনার মতে এমন একটি তত্ত্বের জন্য আসলে কী প্রয়োজন?

❗️ lee-র উত্তর:

আসলে একটি মাত্র তত্ত্বের মাধ্যমেই সবকিছুর ব্যাখ্যা সম্ভব। দুই বা তিনটি নয়, বরং একটি মাত্র তত্ত্বই যথেষ্ট। আপনার প্রশ্নের উত্তর হলো—সমস্ত ঘটনার মধ্যে বিদ্যমান একটি পুনরাবৃত্তিমূলক প্রক্রিয়া। আমি বিনীতভাবে বলতে চাই যে, আমার কাছে এমন একটি তত্ত্ব (FHT) আছে, যা আধুনিক বিজ্ঞানের সমস্ত মানদণ্ড ও বিধি অনুসরণ করে গাণিতিকভাবে যাচাই করা হয়েছে। এটি পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, শক্তির সারমর্ম, চেতনার কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য, জীববিজ্ঞান, ডিএনএ এবং সামষ্টিক কাঠামোর কার্যকারিতা সহ সমস্ত প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

এই ধরনের একটি তত্ত্ব দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সংস্থা থেকে জোরালো সমর্থন প্রয়োজন। তবে আসল বিষয়টি অন্যখানে। ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রে এই পদার্থবিজ্ঞান-গাণিতিক তত্ত্বটি বর্তমানে আমাকে দারুণভাবে সাহায্য করছে। মাঝে মাঝে এটি একটি 'ভেরিফায়ার' বা সত্যতা যাচাইকারী যন্ত্রের মতো কাজ করে। কোনো কিছু সন্দেহজনক মনে হলে, সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য সেটিকে গাণিতিক মডেলের মধ্য দিয়ে যাচাই করে নেওয়াই যথেষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, এটি সময়ের কাঠামোগত প্রক্রিয়া, ডিএনএ-র রহস্য, জেনেটিক্সের তাৎপর্য, কম্পাঙ্কের গুরুত্ব এবং তথ্য বণ্টনের নীতির মতো বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করতে পারে।

এমনকি যদি আমি আমার FHT তত্ত্বে কোনো ভুলও করি, তবে তা মানুষের রৈখিক চিন্তাভাবনার সীমাবদ্ধতা থেকে আসা ব্যক্তিগত ত্রুটি হতে পারে। তবে এটি সামগ্রিক মূলনীতিগুলোকে কোনোভাবেই ভুল প্রমাণ করে না।

তাই আমার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অনুযায়ী, 'থিওরি অফ এভরিথিং' বা সবকিছুর মূল তত্ত্ব কেবল একটিই হতে পারে। এটি কে তৈরি করেছেন বা এর নাম কী, তা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। মহাবিশ্বে আসলে দুটি আলাদা প্রক্রিয়া নেই এবং সবকিছুই যে একটি মাত্র প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—এই উপলব্ধিটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

48 দৃশ্য

উৎসসমূহ

  • Сайт Автора lee

আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।