In the theoretical framework of Penrose and Hameroff, intracellular dynamics trigger quantum effects through "noise assisted transport." Biophysical photons and electromagnetic waves create a "gravitational collapse"-like effect on tryptophan molecules, forming coherent soliton
মস্তিষ্কের নিউরাল যোগাযোগে বায়োফোটন তত্ত্বের নতুন দিগন্ত
সম্পাদনা করেছেন: Irena II
বৈজ্ঞানিক মহলে বর্তমানে নিউরাল যোগাযোগের একটি তৃতীয় মাধ্যম নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ২০২৬ সালে একটি পিয়ার-রিভিউড জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে যে, বায়োফোটন বা অতি ক্ষীণ আলোক বিকিরণের মাধ্যমে গঠিত একটি 'বায়োফিল্ড' মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে। চেক প্রজাতন্ত্রের ওলোমোউকের প্যালাকি ইউনিভার্সিটির প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অনুষদের বায়োফিজিক্স বিভাগের গবেষক পাভেল পসপিশিল এবং অঙ্কুশ প্রসাদ এই গবেষণাপত্রটি তৈরি করেছেন। তারা গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে স্নায়বিক টিস্যুতে বায়োফোটনের উপস্থিতি নিয়ে করা বিভিন্ন বিশ্লেষণের ফলাফল এখানে সুসংবদ্ধ করেছেন।
এই প্রস্তাবিত প্রক্রিয়াটি অনুযায়ী, স্নায়বিক টিস্যুর বিপাকীয় বা মেটাবলিক কার্যক্রমের ফলে উৎপন্ন বায়োফোটনগুলো নিউরনগুলোর মধ্যে আলোর গতিতে অত্যন্ত দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। গবেষকরা বায়োফোটনের কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য যেমন সুপারপজিশন, কোহেরেন্স এবং এনট্যাঙ্গলমেন্টের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, এই বৈশিষ্ট্যগুলো মস্তিষ্কজুড়ে তথ্য এনকোডিং, ট্রান্সমিশন এবং ডিকোডিং করতে সাহায্য করে। গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ৪০০ মাইক্রোমিটার পুরুত্বের মস্তিষ্কের টিস্যুর মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরেও মেরুকৃত ফোটনগুলোর মধ্যে কোয়ান্টাম কোরিলেশন বা পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় থাকার প্রমাণ।
এই হাইপোথিসিসটি সরাসরি চেতনার 'কঠিন সমস্যা' বা 'হার্ড প্রবলেম অফ কনশাসনেস'-এর সাথে সম্পর্কিত। প্রথাগত নিউরোসায়েন্স সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল এবং কেমিক্যাল সিগন্যালের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা চেতনার জটিলতা ব্যাখ্যায় অনেক সময় অপর্যাপ্ত মনে হয়। বায়োফিল্ডের মাধ্যমে যোগাযোগের এই নতুন পথটি প্রচলিত ইলেকট্রোকেমিক্যাল প্যারাডাইমের বাইরে গিয়ে নিউরোসায়েন্টিফিক মডেলের একটি তাত্ত্বিক সম্প্রসারণ ঘটায়। এই প্রস্তাবনার মূল শক্তি হলো মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের অবিশ্বাস্য গতি এবং জটিলতা, বিশেষ করে চেতনার প্রেক্ষাপটে একটি ভৌত মেকানিজম প্রদান করার সম্ভাবনা।
বায়োফোটন বিকিরণ নিয়ে গবেষণার একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। ১৯৭০-এর দশকে ফ্রিৎস-অ্যালবার্ট পপ এই বিষয়ে অগ্রণী কাজ শুরু করেন এবং কোষের বিপাক ও কোহেরেন্সের সাথে এর যোগসূত্র স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পদার্থবিদ রজার পেনরোজ চেতনার মেকানিজমে একটি অজানা কোয়ান্টাম উপাদানের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছিলেন। এই নতুন গবেষণাটি সেই পুরনো ধারণাগুলোকেই আধুনিক বিজ্ঞানের আলোয় নতুন করে যাচাই করছে।
তবে গবেষকরা একটি বড় চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছেন, যা হলো মস্তিষ্কের প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পরিবেশে কোয়ান্টাম কোহেরেন্স বজায় রাখা। এই সমস্যাটি এখনও অনেকাংশে অমীমাংসিত রয়ে গেছে, যার ফলে এই প্রস্তাবনাটি বর্তমানে কঠোর অভিজ্ঞতামূলক যাচাইকরণের অপেক্ষায় রয়েছে। কোয়ান্টাম বায়োলজির প্রেক্ষাপটে পপের কাজ দেখিয়েছিল যে জীবন্ত কোষের ডিএনএ ফোটন সঞ্চয় এবং নির্গত করতে পারে। অন্যদিকে, পেনরোজ এবং স্টুয়ার্ট হ্যামেরফের 'Orch-OR' তত্ত্বের সমালোচনা করতে গিয়ে অনেকেই নিউরনের উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে ডিকোহেরেন্সের সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
পসপিশিল এবং প্রসাদ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, স্নায়বিক টিস্যুতে কোয়ান্টাম-ভিত্তিক মেকানিজমগুলো বর্তমানে কিছুটা অনুমাননির্ভর হলেও, উন্নত ফোটন ডিটেকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও গভীর গবেষণা প্রয়োজন। তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টা জীববিজ্ঞানে আলোক সংকেতের গুরুত্ব অনুধাবনে তাদের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে। এই প্রকাশনাটি মানুষের অস্তিত্বের জটিল দিকগুলোর ভৌত ভিত্তি খোঁজার ক্ষেত্রে একটি নতুন তাত্ত্বিক অধ্যায় উন্মোচন করেছে, যা নিউরাল নেটওয়ার্কে কোয়ান্টাম-অপটিক্যাল ঘটনার ওপর আলোকপাত করে।
উৎসসমূহ
Evenimentul Zilei
Jurnalul Naţional
Indian Defence Review
Indian Defence Review
Vertex AI Search
Vertex AI Search
Progress in Biophysics and Molecular Biology
Evenimentul Zilei
Indian Defence Review
PubMed
EnergiaConştiinţei.ro



