Magma Movement Triggered Santorini’s Recent Earthquake Swarm, Scientists Say uzalendonews.co.ke/magma-movement…
ম্যাগমার গতি Santorini-এর সাম্প্রতিক ভূকম্পনের সারিকে উদ্দীপিত করেছে, বিজ্ঞানীরা বলেন.
শেয়ার করুন
সম্পাদনা করেছেন: Tetiana Martynovska
Magma Movement Triggered Santorini’s Recent Earthquake Swarm, Scientists Say uzalendonews.co.ke/magma-movement…
ম্যাগমার গতি Santorini-এর সাম্প্রতিক ভূকম্পনের সারিকে উদ্দীপিত করেছে, বিজ্ঞানীরা বলেন.
২০২৫ সালের প্রথম দিকে এজিয়ান সাগরের সান্তরিনি-আমোরগোস অঞ্চলে অনুভূত তীব্র ভূমিকম্পের স্রোতের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল প্রদান করেছে। বিখ্যাত বিজ্ঞান জার্নাল 'সায়েন্স'-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি কোনো সাধারণ ভূ-ত্বকীয় চ্যুতি বা টেকটোনিক ফল্ট স্লিপের ফল ছিল না, বরং এটি ছিল এক বিশাল, তরঙ্গ-সদৃশ ম্যাগমা অনুপ্রবেশ দ্বারা চালিত। এই আবিষ্কার ভূকম্পনবিদ্যা এবং আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা এই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক কার্যকলাপের জটিলতা স্পষ্ট করে তুলেছে।
সান্তোরিনি ভূকম্পঝাঁক ব্যাখ্যা: ম্যাগমা কীভাবে 25,000টি ভূকম্প ঘটালো | এআই ও বিজ্ঞান ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ
গবেষণা অনুসারে, এই অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত গভীর এবং বিশাল আকারের, যেখানে ম্যাগমার একটি অংশ ভূ-অভ্যন্তরের ২০ কিলোমিটারেরও বেশি গভীরতা থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল। এই ম্যাগমা সরাসরি সান্তরিনি ক্যালডেরা এবং নিকটবর্তী কলুম্বো সমুদ্রতলীয় আগ্নেয়গিরির সংযোগকারী একটি ভূগর্ভস্থ ভান্ডার থেকে উৎসারিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন যে এই প্রক্রিয়ায় স্থানান্তরিত গলিত শিলার পরিমাণ প্রায় দুই লক্ষ অলিম্পিক-আকারের সুইমিং পুল পূর্ণ করার সমতুল্য। এই ম্যাগমা অনুপ্রবেশ অনুভূমিকভাবে প্রায় ২০ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত ছিল এবং এটি পাথরের স্তরগুলির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় ঢেউ বা স্পন্দনের আকারে অগ্রসর হয়েছিল, যা ক্রমাগত ফাটল তৈরি ও বন্ধ করার মাধ্যমে অনুভূত ভূমিকম্পের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সৃষ্টি করেছিল।
Τι προκάλεσε τους χιλιάδες σεισμούς στη Σαντορίνη - Επιστήμονες εντόπισαν τεράστια μαγματική διείσδυση κάτω από τον πυθμένα της θάλασσας #protothema protothema.gr/greece/article…
Santorini-তে হাজারো ভূকম্পনের কারণ কী? বিজ্ঞানীরা সমুদ্র তলের নিচে একটি বিশাল ম্যাগম্যাটিক ইনট্রুশন চিহ্নিত করেছেন।
এই জটিল প্রক্রিয়া উন্মোচনের জন্য গবেষকরা অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Machine Learning) কৌশল ব্যবহার করেন। তাঁরা প্রায় ২৫,০০০ ভূমিকম্পের তথ্য বিশ্লেষণ করেন, যেখানে প্রতিটি ভূমিকম্পকে গভীর ভূ-চাপ পরিমাপক বা 'ভার্চুয়াল ডিপ স্ট্রেস মিটার' হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (UCL)-এর ডঃ স্টিফেন হিক্স এবং গ্রিসের অ্যারিস্টটল ইউনিভার্সিটি অফ থেসালোনিকি-এর ডঃ এলিফথেরিয়া Papadimitriou-এর মতো বিশেষজ্ঞরা জড়িত ছিলেন। জিএফজে হেলমহোল্টজ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস এবং জিওমার হেলমহোল্টজ সেন্টার ফর ওশান রিসার্চ কিয়েল-এর মতো প্রতিষ্ঠানও এই গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভূমিকম্পের এই তীব্রতা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল, কারণ প্রাথমিকভাবে এটি ১৯৫৬ সালের বিধ্বংসী ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পুনরাবৃত্তি বা নিকটবর্তী কলম্বো আগ্নেয়গিরির আসন্ন অগ্ন্যুৎপাতের সংকেত কিনা তা নিয়ে সংশয় ছিল। ওই সময়ে শত শত ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল, যার মাত্রা ৪.৫ অতিক্রম করেছিল, যার ফলস্বরূপ সান্তরিনিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং স্কুল বন্ধ করে দিতে হয়। তবে, গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হলো—অনুপ্রবেশকারী ম্যাগমার পৃষ্ঠে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় চাপ বা প্লবতা ছিল না, যা তাৎক্ষণিক অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কাকে প্রশমিত করে।
এই তরঙ্গ-সদৃশ অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়াটি বিশ্বজুড়ে আগ্নেয়গিরির নিচে ম্যাগমা পরিবহনের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া হতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। এই অনুসন্ধানের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে, বিশেষত আগ্নেয়গিরি সংক্রান্ত ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে। ভূমিকম্পের এই স্রোতকে 'পাম্পিং' ডাইক কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করার ফলে, গবেষকরা এখন আরও নির্ভরযোগ্য, পদার্থবিদ্যা-ভিত্তিক অগ্ন্যুৎপাত পূর্বাভাসের ভিত্তি স্থাপন করতে পারবেন। এই উন্নত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ভবিষ্যতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সতর্ক করতে এবং সান্তরিনি ও পার্শ্ববর্তী দ্বীপপুঞ্জের জনজীবন সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক হবে।
www.topontiki.gr
protothemanews.com
Protothema
Hayadan
Science Daily
ΤΑ ΝΕΑ
Newsbomb
Mirage News
Tovima
GFZ Helmholtz Centre for Geosciences
The Watchers News
Spring is expected to officially arrive in Japan this week with the start of the #CherryBlossom season. According to the Japanese Meteorological Agency the blooms will arrive earlier this year because of a warmer than average winter. 🌸🌸🌸