> Mizoram CM states that 50k hectares of land has been identified for rubber cultivation in the state > Currently, 43% of India's rubber is imported from countries like Indonesia, Thailand, Vietnam, etc > Until December 2023, only 3k hectares were being used for rubber
আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে লাদাখে রাবার চাষের সম্ভাবনা যাচাই করছে ভারত
সম্পাদনা করেছেন: An goldy
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের জাতীয় রাবার বোর্ড লাদাখের অত্যন্ত প্রতিকূল এবং চরম জলবায়ু পরিস্থিতিতে রাবার জাতীয় ফসলের কৃষিগত উপযোগিতা মূল্যায়নের জন্য একটি বিশেষ গবেষণা কর্মসূচি শুরু করেছে। রাবার রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (RRII) এবং হিমালয়ান ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (HFRI)-এর সাথে যৌথভাবে পরিচালিত এই আন্তঃবিভাগীয় উদ্যোগটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো উচ্চভূমির এই শীতল মরু অঞ্চলের কৃষকদের জন্য আয়ের একটি টেকসই এবং বিকল্প উৎস হিসেবে রাবারের সম্ভাবনাকে বৈজ্ঞানিকভাবে খতিয়ে দেখা। নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এই প্রকল্পের প্রাথমিক কাজগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।
হিমাচল প্রদেশের শিমলায় অবস্থিত HFRI প্রতিষ্ঠানটি মূলত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (ICFRE)-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এই সহযোগিতামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে লাদাখে একটি কার্যকর মূল্য শৃঙ্খল বা ভ্যালু চেইন তৈরির সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, যদিও ভৌগোলিক ও পরিবেশগত কারণে বর্তমানে এই অঞ্চলে রাবারের কোনো বাণিজ্যিক চাষাবাদ নেই। RRII এবং HFRI-এর বিশেষজ্ঞরা এই প্রকল্পে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন, তবে রাবার গাছের কাঠ সংগ্রহের পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণের জন্য অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়সীমার মতো বিভিন্ন লজিস্টিক বা কৌশলগত প্রতিবন্ধকতা এই অঞ্চলে বিদ্যমান।
ভারতে রাবারের বাণিজ্যিক চাষের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, আইরিশ নাগরিক জে. জে. মারফি কেরালায় প্রথম ব্রাজিলীয় হেভিয়া বাগান স্থাপনের মাধ্যমে এই শিল্পের সূচনা করেছিলেন। বর্তমানে ভারতের মোট প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশই আসে কেরালা থেকে, যা দেশটিকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান রাবার উৎপাদনকারী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তবে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে রাবার আমদানির পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও ছত্রাকজনিত রোগের ঝুঁকির কারণে বিকল্প চাষাবাদের ক্ষেত্র খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
লাদাখের মতো স্পর্শকাতর বাস্তুসংস্থানে নতুন বা বিদেশি কোনো প্রজাতির অনুপ্রবেশ ঘটলে সেখানকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে বলে বৈজ্ঞানিক মহলে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, পপলার এবং উইলোর মতো স্থানীয় উদ্ভিদগুলো এই উচ্চভূমির রুক্ষ পরিবেশের সাথে প্রাকৃতিকভাবেই খাপ খাইয়ে নিয়েছে, যা নতুন প্রজাতির ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তা সত্ত্বেও, প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনে ভারতের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির জাতীয় লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে এই গবেষণা কার্যক্রম অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে। এমনকি বিকল্প হিসেবে 'ট্যারাক্সাকাম কোক-সাঘিজ' (Taraxacum kok-saghyz) নামক রাবার উৎপাদনকারী ড্যান্ডেলিয়নের হাইড্রোপনিক চাষের মাধ্যমে মূলের বায়োমাস বৃদ্ধির বিষয়টিও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার আওতায় আনা হয়েছে।
লাদাখের পরিবেশগত সংবেদনশীলতা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় সেখানে যেকোনো নতুন কৃষি উদ্যোগ গ্রহণের আগে জীববৈচিত্র্যের ওপর তার সম্ভাব্য প্রভাব নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সামগ্রিকভাবে, এই গবেষণা প্রকল্পটি একদিকে যেমন কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, অন্যদিকে তেমনি কঠোর পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এই উদ্যোগটি সফল হলে তা ভারতের রাবার শিল্পের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
উৎসসমূহ
Greater Kashmir
greaterkashmir
Tyre Trends
Kashmir Despatch
Kashmir Images
onlykashmir.in
এই বিষয়ে আরও নিবন্ধ পড়ুন:
Kekayaan hayati Indonesia kembali bertambah dengan ditemukannya spesies tanaman baru bernama Homalomena lingua-felis di kawasan Batang Toru, Sumatera Utara. Tanaman ini memiliki ciri unik berupa permukaan daun dengan rambut lebat yang menyerupai tekstur lidah kucing. Meski baru


