Industrial decarbonization advances with INPEX and Osaka Gas’s Nagaoka Methanation Demonstration hydrogenfuelnews.com/industrial-dec…
IMPEX প্রকল্প
শেয়ার করুন
সম্পাদনা করেছেন: an_lemon
Industrial decarbonization advances with INPEX and Osaka Gas’s Nagaoka Methanation Demonstration hydrogenfuelnews.com/industrial-dec…
IMPEX প্রকল্প
২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জাপানের নিইগাতা প্রিফেকচারের নাগাওকা শহরে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। একটি বিশেষ প্রদর্শনমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদিত কৃত্রিম মিথেন প্রথমবারের মতো দেশটির প্রধান গ্যাস পাইপলাইনে সফলভাবে সরবরাহ করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি কার্বন ডাই-অক্সাইড রূপান্তর প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি মূলত কার্বন ক্যাপচার অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন (CCU) প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে, যা বিদ্যমান গ্যাস অবকাঠামো ব্যবহার করেই জলবায়ু-বান্ধব জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম।
এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পটি ইনপেক্স (INPEX) এবং ওসাকা গ্যাস (Osaka Gas) কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২১ সালে জাপানের নিউ এনার্জি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (NEDO) থেকে প্রাপ্ত একটি বিশেষ অনুদানের মাধ্যমে এই যাত্রার সূচনা হয়। ইনপেক্সের কোশিজিহারা কারখানায় এই প্রদর্শনী কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে, যার নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালে। এই প্ল্যান্টটি কারখানার নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে এবং তা হাইড্রোজেনের সাথে মিশিয়ে মিথেন তৈরি করে। এর সক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০০ নরমাল কিউবিক মিটার কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রক্রিয়াকরণ করা, যা বছরে প্রায় ১০,০০০ সাধারণ পরিবারের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট।
সাম্প্রতিক গবেষণাগার পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত গ্যাসে মিথেনের ঘনত্ব ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের প্রেক্ষিতে জাপান গ্যাস অ্যাসোসিয়েশন এই স্থাপনাটিকে একটি 'ক্লিন গ্যাস জেনারেশন' কেন্দ্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই স্বীকৃতির ফলে এখন থেকে পরিবেশগত সার্টিফিকেট প্রদান করা সম্ভব হবে, যা জাপানের জ্বালানি ব্যবস্থায় ই-মিথেন বা কৃত্রিম মিথেনকে অন্তর্ভুক্ত করার পথ প্রশস্ত করবে। ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার যে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা জাপান নির্ধারণ করেছে, তা অর্জনে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত সহায়ক হবে।
প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার ইনপেক্স এখন এই রিঅ্যাক্টর সিস্টেমটিকে আরও উন্নত ও বড় করার পরিকল্পনা করছে যাতে এটি অন্যান্য অঞ্চলেও ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে, ওসাকা গ্যাস 'CO2NNEX®' নামক একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ক্লিন গ্যাস সার্টিফিকেটের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করছে। যদিও প্রযুক্তিগতভাবে এই পদ্ধতিটি সফল প্রমাণিত হয়েছে, তবে এর বাণিজ্যিক প্রসার নির্ভর করছে স্বল্পমূল্যে হাইড্রোজেন প্রাপ্তির ওপর। বর্তমানে প্রতি কিউবিক মিটার গ্যাস উৎপাদনে ৩৫০ ইয়েন খরচ হলেও, বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের মাধ্যমে এই খরচ ২০০ ইয়েনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের বর্তমান পর্যায়টি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। জাপানের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হলো ২০৫০ সালের মধ্যে গৃহস্থালি গ্যাস ব্যবহারের প্রায় ৯০ শতাংশই কৃত্রিম মিথেন দিয়ে পূরণ করা, যা বর্তমানে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (LNG) বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া জাপান আন্তর্জাতিকভাবেও এই প্রযুক্তির বিস্তার ঘটাতে আগ্রহী। বিশেষ করে ওমানের মতো দেশগুলোতে প্ল্যান্ট স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে, যেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে আরও সাশ্রয়ী উপায়ে কার্বন-নিরপেক্ষ গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
Hydrogen Fuel News
INPEX CORPORATION
Hydrogen Central
Hydrogen