Существуют научные доказательства существования НЛО. Изученные переходные явления 27 июля 1952 года, в ту же ночь, что и знаменитый инцидент с НЛО в Вашингтоне.
পালোমার তথ্য বিশ্লেষণে মহাকাশ যুগের পূর্ববর্তী সময়ের পরিসংখ্যানগত অসঙ্গতি উন্মোচিত
সম্পাদনা করেছেন: Uliana S.
২০২৫ সালে বৈজ্ঞানিক মহলে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পিয়ার-রিভিউড গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যা মহাকাশ যুগের সূচনার আগেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে মনুষ্যবিহীন উন্নত প্রযুক্তির সম্ভাব্য অস্তিত্বের অভিজ্ঞতামূলক প্রমাণ দেয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডক্টর বিয়াত্রিজ ভিলারোয়েলের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় ১৯৪৯ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে ১৯৫৭ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত পালোমার অবজারভেটরি স্কাই সার্ভে (POSS) থেকে প্রাপ্ত ঐতিহাসিক ফটোগ্রাফিক প্লেটগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভ্যাসকো (VASCO - Vanishing & Appearing Sources during a Century of Observations) প্রকল্পের অংশ হিসেবে পরিচালিত এই গবেষণাটি অত্যন্ত শক্তিশালী পরিসংখ্যানগত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা মূলত অজ্ঞাত আকাশীয় ঘটনা বা ইউএপি (UAP) নিয়ে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক সংশয়বাদকে একটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
আকাশবিজ্ঞানিক তথ্য 1947 সালের ঐতিহাসিক Twining Memorandum-এর সাথে মেলে, যেখানে এই বস্তুগুলোকে ধাতব ডিস্ক হিসেবে উচ্চ প্রতিফলনশীল পৃষ্ঠসহ বর্ণিত করা হয়েছে।
গবেষণার অন্যতম প্রধান ফলাফল হলো একটি কঠোর পরিসংখ্যানগত মূল্যায়ন, যা নির্দেশ করে যে পর্যবেক্ষণকৃত কিছু আলোকীয় ঘটনা বা 'ট্রানজিয়েন্ট' আসলে কৃত্রিম উৎসের সমতল এবং উচ্চ প্রতিফলনশীল পৃষ্ঠ থেকে আসা সূর্যের আলোর প্রতিফলন। এই প্রাপ্ত তথ্যের পরিসংখ্যানগত নির্ভরযোগ্যতা ৭.৬ সিগমা স্তরে পৌঁছেছে, যা কণা পদার্থবিজ্ঞানে কোনো নতুন আবিষ্কার বা মৌলিক কণা ঘোষণার জন্য প্রয়োজনীয় ৫ সিগমা মানদণ্ডকেও উল্লেখযোগ্যভাবে ছাড়িয়ে গেছে। এই বিশ্লেষণের সময়কালটি ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ১৯৫৭ সালের অক্টোবরে পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 'স্পুটনিক' মহাকাশে উৎক্ষেপণের আগের ঘটনা। এর ফলে আধুনিক কোনো মানবসৃষ্ট মহাকাশযান বা মহাকাশ আবর্জনাকে এই রহস্যময় ঘটনার কারণ হিসেবে গণ্য করার কোনো যৌক্তিক সুযোগ নেই।
গবেষকরা তাদের পর্যবেক্ষণে লক্ষ্য করেছেন যে এই রহস্যময় বস্তুগুলো এমন কিছু বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করেছে যা কোনো পরিচিত প্রাকৃতিক ঘটনা যেমন গ্রহাণু, উল্কা বা বরফ কণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে, পৃথিবীর ছায়ায় (umbra) থাকাকালীন এই বস্তুগুলোর কোনো উজ্জ্বলতা বা ঝলকানি পদ্ধতিগতভাবে অনুপস্থিত ছিল, যা নিশ্চিত করে যে এগুলো মূলত সূর্যের আলো প্রতিফলিত করার মাধ্যমেই দৃশ্যমান হচ্ছিল। এই গবেষণায় স্টকহোমে ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত নর্ডিক ইনস্টিটিউট ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিক্স (Nordita)-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে। নরডিটা-র স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ফেলো ডক্টর ভিলারোয়েল এই চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছেন, যা তার মতে অ-মানবিক প্রযুক্তির অস্তিত্বের দাবিকে একটি শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক ভিত্তি প্রদান করে।
গভীর বিশ্লেষণে সেই সময়ের অন্যান্য বৈশ্বিক ঘটনার সাথে কিছু কৌতূহলোদ্দীপক পরিসংখ্যানগত যোগসূত্র উন্মোচিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৭ সালের মধ্যে পরিচালিত স্থলজ পারমাণবিক পরীক্ষার ঠিক আগে বা পরে এই অস্বাভাবিক বস্তুগুলো দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি ছিল। এছাড়া, একই দিনে নিবন্ধিত প্রতিটি অতিরিক্ত ইউএপি (UAP) রিপোর্টের বিপরীতে ট্রানজিয়েন্ট বা আলোকীয় ঘটনার সংখ্যা ৮.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিও নথিবদ্ধ করা হয়েছে। যদিও এই যোগসূত্রগুলো সরাসরি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করে না, তবুও এগুলো ট্রানজিয়েন্টগুলোকে নিছক ভ্রম নয় বরং বাস্তব ভৌত ঘটনা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। ডক্টর স্টিভেন ব্রুহল-এর সহ-তালিকায় থাকা এই গবেষণার পদ্ধতিতে প্লেটের কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা আর্টফ্যাক্ট থাকার সম্ভাবনা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে, কারণ POSS-I মূলত কাঁচের ইমালশন প্লেট ব্যবহার করেছিল যা অত্যন্ত নির্ভুল। ঐতিহাসিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের নথিপত্র ব্যবহার করে সম্ভাব্য 'টেকনোসিগনেচার' বা প্রযুক্তিগত স্বাক্ষর শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এটিই প্রথম কঠোর পদার্থবিজ্ঞানের মানদণ্ড প্রয়োগের একটি অনন্য উদাহরণ।
উৎসসমূহ
MysteryPlanet.com.ar
ForumIAS Blog
Reality Check with Ross Coulthart - YouTube
Liberation Times Insight
