
AI দ্বারা তৈরি চিত্র
শেয়ার করুন
লেখক: Uliana Soloveva

AI দ্বারা তৈরি চিত্র
২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৮:৪৫ মিনিটে উইনিপেগ থেকে ক্যালগারিগামী ওয়েস্টজেট এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমানের ক্রু সদস্যরা আকাশপথে এক অভাবনীয় দৃশ্যের সাক্ষী হন। তারা প্রায় ১৩ হাজার ফুট (প্রায় ৪ কিলোমিটার) উচ্চতায় একটি অজ্ঞাত বস্তু দেখতে পান। এই ঘটনার ঠিক দুই মাস পর, ২০২৬ সালের ২০ মার্চ, ট্রান্সপোর্ট কানাডার (Transport Canada) উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডারে পাইলটদের একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে তারা বস্তুটিকে একটি 'বাস্কেটবল আকৃতির বস্তু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নথিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সেই সময়ে ওই এলাকার অন্য কোনো বিমান থেকে এমন কিছু দেখার খবর পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার জন্য প্রতিবেদনে যে বিভাগটি নির্বাচন করা হয়েছে তা হলো— ‘ওয়েদার বেলুন, উল্কা, রকেট, ইউএফও’ (Weather balloon, meteor, rocket, UFO)। এই শ্রেণিবিন্যাস থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, বিমানের অভিজ্ঞ কমান্ডাররা তাদের পরিচিত কোনো সাধারণ বস্তুর সাথে এটিকে মেলাতে পারেননি। আকাশপথের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পেশাদারদের কাছে এই ধরনের অস্পষ্টতা বেশ বিরল, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে এবং গভীর তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।
বিখ্যাত কানাডীয় ইউফোলজিস্ট বা ইউএফও গবেষক ক্রিস রুটকোস্কি গণমাধ্যমের কাছে এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জানান যে, বর্তমানে প্রকাশিত তথ্যের পরিমাণ খুবই সীমিত। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া এই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবে তিনি পাইলটদের পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আমরা কেবল এটাই বলতে পারি যে এটি একটি অজ্ঞাত বস্তু ছিল যা পাইলটদের মধ্যে যথেষ্ট উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল, যার ফলে তারা একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দিতে বাধ্য হন। এই বিমানগুলোতে অনেক যাত্রী থাকেন এবং তাদের নিরাপত্তার খাতিরেই এমন ঘটনা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত।”
সংবাদটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত ওয়েস্টজেট এয়ারলাইন্স বা ট্রান্সপোর্ট কানাডা কোনো পক্ষই এই বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য করেনি। এমনকি কোনো তদন্ত শুরু হয়েছে কি না বা সম্ভাব্য কোনো কারণ চিহ্নিত করা গেছে কি না, সে সম্পর্কেও তারা নীরবতা পালন করছে। তবে গবেষকদের মতে, বাণিজ্যিক বিমানের পাইলটদের কাছ থেকে আসা এই ধরনের প্রতিবেদন অত্যন্ত মূল্যবান। শৌখিন ভিডিওর তুলনায় পেশাদার ক্রু সদস্যদের রিপোর্টগুলো কঠোর নিবন্ধকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায় এবং এগুলোকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৩ হাজার ফুট উচ্চতায় বস্তুটির অবস্থান অনেক প্রচলিত সম্ভাবনাকে নাকচ করে দেয়, যেমন সাধারণ ড্রোন বা রিমোট কন্ট্রোল বিমান সাধারণত এত উঁচুতে উড়তে সক্ষম হয় না।
এখনও অনেক প্রশ্ন অমীমাংসিত রয়ে গেছে যা সাধারণ মানুষের মনে কৌতূহল জাগাচ্ছে। এটি কি কোনো বিরল আবহাওয়া বেলুন ছিল যা সরকারি নথিতে নথিবদ্ধ করা হয়নি? নাকি কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হওয়া কোনো মহাকাশ বর্জ্য যা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করেছিল? অথবা এমন কিছু যা বর্তমান বিজ্ঞানের সাধারণ ব্যাখ্যার বাইরে? আকাশসীমার এই রহস্যময় ‘বাস্কেটবল’ এখন মহাকাশ গবেষক এবং সাধারণ মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যা ভবিষ্যতের আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে ভাবাচ্ছে।
Meteors have been seen in Turkey, Australia, Ohio, and Pennsylvania this past week
Pay attention to the way it is moving! Does that look like a meteorite to you? Coincidentally, a former U.S. Air Force launch officer revealed this week that UFOs had disabled multiple nuclear missiles after appearing around a Montana base where he was stationed decades ago.