
যুক্তরাষ্ট্র স্বাস্থ্য ও মানব সেবা সচিব Kennedy, Robert Francis (Junior)
শেয়ার করুন
লেখক: gaya ❤️ one

যুক্তরাষ্ট্র স্বাস্থ্য ও মানব সেবা সচিব Kennedy, Robert Francis (Junior)
২০২৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে, যখন বিশ্ব কোভিড-১৯ মহামারী প্রায় ভুলতে বসেছিল, সেই সময়ে মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়রের একটি বিবৃতি জনমনে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ১০ জানুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ তিনি জার্মান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে টিকা ও মাস্ক পরিধান থেকে অব্যাহতিপত্র দেওয়ার অভিযোগে এক হাজারেরও বেশি ডাক্তার এবং হাজার হাজার রোগীর ওপর নিপীড়নের অভিযোগ আনেন। তিনি জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিনা ওয়ার্কেনকে 'চিকিৎসা সংক্রান্ত স্বায়ত্তশাসন পুনরুদ্ধার' করার আহ্বান জানালে বার্লিনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে সরকারি অস্বীকারের আড়ালে একটি জটিল চিত্র লুকিয়ে আছে, যেখানে কেনেডির দাবিগুলো আদালতের নথি এবং পরিসংখ্যানের মাধ্যমে বাস্তব সমর্থন খুঁজে পাচ্ছে, আর কর্তৃপক্ষের অস্বীকৃতি দায় এড়ানোর একটি সুবিধাজনক উপায় বলে মনে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য নীতি সংক্রান্ত বৈশ্বিক সমালোচনার জন্য পরিচিত রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র নিছক ভিত্তিহীন মন্তব্য করেননি। তাঁর অভিযোগগুলি জার্মানির আদালতে চলমান মামলার ক্রমবর্ধমান তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মহামারীর চরম মুহূর্ত থেকে শুরু হয়ে আজও অব্যাহত রয়েছে। জার্মান গণমাধ্যম এবং আদালতের নথি থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বহু মামলা দায়ের করা হয়েছে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে, যাঁদের বিরুদ্ধে মাস্ক বা টিকা থেকে অব্যাহতিপত্র 'অবৈধভাবে' দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩ সালে ভাইনহাইমের একটি আদালত একজন ডাক্তারকে মাস্ক পরিধান থেকে চার হাজারেরও বেশি ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য দুই বছর নয় মাসের কারাদণ্ড দেয়—যা নাকি পর্যাপ্ত চিকিৎসা কারণ ছাড়াই দেওয়া হয়েছিল। ড্রেসডেন এবং মিউনিখেও একই ধরনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যেখানে ডাক্তারদের গ্রেপ্তার করা হয় রোগীদের টিকা বা পরীক্ষা এড়ানোর নথি 'জাল' করার অভিযোগে।
কেনেডি দাবি করেছেন যে এই ঘটনায় এক হাজারেরও বেশি ডাক্তার এবং হাজার হাজার রোগী জড়িত। এই সংখ্যা জার্মান প্রসিকিউটরের অফিস থেকে প্রাপ্ত অফিসিয়াল পরিসংখ্যানের সঙ্গেও মিলে যায়: শুধুমাত্র ২০২২-২০২৩ সালে 'জালিয়াতি' সংক্রান্ত নথি, যার মধ্যে অব্যাহতিপত্রও অন্তর্ভুক্ত, সেই সংক্রান্ত দশ হাজারেরও বেশি মামলার তদন্ত করা হয়েছিল। এই মামলাগুলির মধ্যে অনেকের ক্ষেত্রেই ডাক্তাররা দাবি করেছিলেন যে তাঁরা রোগীর স্বার্থে নৈতিক বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে কাজ করেছেন। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালেও এই প্রবণতা কমেনি: বায়োএনটেক (BioNTech) থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন এবং ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা শত শত মামলা পরোক্ষভাবে প্রমাণ করে যে সরকারি মতাদর্শ থেকে সামান্য বিচ্যুতিকেও কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল। কেনেডির বক্তব্য এই দৃষ্টান্তমূলক মামলাগুলি দ্বারা সমর্থিত—নিপীড়ন সত্যিই ঘটেছিল এবং এটি সেই সমস্ত মানুষকে প্রভাবিত করেছিল যাঁরা চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বজায় রাখতে চেয়েছিলেন।
কেনেডির অভিযোগের জবাবে, যিনি ২০২৫ সালের মে মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিনা ওয়ার্কেন সেগুলিকে 'তথ্যগতভাবে ভুল' এবং 'ভিত্তিহীন' বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর মতে, ফৌজদারি মামলাগুলি শুধুমাত্র নথিভুক্ত জালিয়াতি—যেমন সার্টিফিকেট জাল করা বা তথ্য বিকৃত করা—এর ক্ষেত্রেই দায়ের করা হয়েছিল, সৎ চিকিৎসা সিদ্ধান্তের জন্য নয়। ওয়ার্কেন জোর দিয়ে বলেন যে জার্মান ডাক্তারদের সর্বদা 'চিকিৎসার স্বাধীনতা' (Therapiefreiheit) ছিল, যা রোগীদের চিকিৎসা, নৈতিক বা ব্যক্তিগত কারণে টিকা দিতে অস্বীকার করার সুযোগ দিত। ১০ জানুয়ারির সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'টিকা দিতে অস্বীকার করার জন্য কখনও ফৌজদারি দায় ছিল না।'
তবে এই অবস্থান প্রশ্ন জাগায়। প্রায়শই আদালতের মামলাগুলিকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আড়াল করা যায়। কঠোর ২জি/৩জি নিয়মাবলীর যুগে (২০২১–২০২৩), যখন টিকা না নেওয়া নাগরিকদের সামাজিক জীবন থেকে—রেস্তোরাঁ থেকে কাজ পর্যন্ত—বাদ দেওয়া হয়েছিল, তখন ব্যবস্থাটি কার্যত টিকাকরণের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। অব্যাহতিপত্রগুলি কেবল সীমিত সংখ্যক চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতার ভিত্তিতেই দেওয়া যেত, এবং এই তালিকার সামান্য সম্প্রসারণকেও 'জালিয়াতি' হিসেবে গণ্য করা হতে পারত। কর্তৃপক্ষ সরাসরি নিপীড়নের কথা অস্বীকার করতে চাইবে, কারণ সমালোচকদের মতে যা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, সেই নীতির দায়ভার কেউ নিতে চায় না। এটি নতুন কিছু নয়—পূর্ববর্তী মন্ত্রী কার্ল লাউটারবাখের পক্ষ থেকেও এমন বিবৃতি এসেছিল, কিন্তু বাস্তব আদালতের রায় ভিন্ন কথা বলে।
এই বিতর্কের কেন্দ্রে একটি মৌলিক প্রশ্ন নিহিত: জার্মান ডাক্তাররা কি রোগীদের ওপর চাপানো কোনো কিছু চাপিয়ে না দিয়ে ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে পারতেন? নাকি সাধারণ মানুষ নিজেদের পছন্দ বেছে নিতে পারত, নাকি তাদের টিকা নিতে বাধ্য করা হয়েছিল?
জার্মানিতে মহামারীর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দেখায় যে স্বাধীনতা ছিল সীমিত। যদিও পুরো জনসংখ্যার জন্য টিকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়নি, নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর জন্য—যেমন স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক, পরিচর্যা কর্মী—ম্যান্ডেট চালু করা হয়েছিল (যেমন ২০২২ সালে হাসপাতাল কর্মীদের জন্য)। অন্যদের জন্য 'নরম' ব্যবস্থা কার্যকর ছিল: টিকা, আরোগ্য বা পরীক্ষার (৩জি) প্রমাণ ছাড়া কাজ, পরিবহন এবং বিনোদনের সুযোগ বন্ধ ছিল। নৈতিক বা ব্যক্তিগত কারণে (যেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়) টিকা এড়াতে ইচ্ছুক রোগীরা ডাক্তারদের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন, কিন্তু ডাক্তাররা যদি কঠোর মানদণ্ডের বাইরে ছাড়পত্র দিতেন, তবে তাঁরা লাইসেন্স বা আদালতের মামলার ঝুঁকিতে পড়তেন।
ডাক্তাররা কি ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে পারতেন? তাত্ত্বিকভাবে—হ্যাঁ, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত ইঙ্গিত উল্লেখ করে। কিন্তু বাস্তবে, উপরের উদাহরণগুলির মতো অনেক ক্ষেত্রেই 'অবৈধ ছাড়পত্র প্রদান'-এর অভিযোগে মামলা শেষ হয়েছে। এই ধরনের ছাড়পত্র প্রাপ্ত হাজার হাজার রোগী পরে জরিমানা বা আইনি মামলার সম্মুখীন হয়েছেন, যা কেনেডির বক্তব্যকে সমর্থন করে। এটি পছন্দ নয়, বরং আমলাতন্ত্রের আড়ালে জবরদস্তি: কেনেডি যেমনটি বলেছিলেন, ব্যবস্থাটি ডাক্তারদের রোগীর রক্ষক না বানিয়ে 'রাষ্ট্রীয় নীতির কার্যকরকারী' হতে বাধ্য করছিল।
কেনেডির বিবৃতি কেবল একটি উস্কানি নয়, বরং মহামারীর শিক্ষা পুনর্বিবেচনার আহ্বান। নিশ্চিত হওয়া নিপীড়নের ঘটনাগুলি দেখায় যে জার্মানি সহ অন্যান্য দেশেও চিকিৎসা সংক্রান্ত স্বায়ত্তশাসন হুমকির মুখে ছিল। কর্তৃপক্ষের অস্বীকৃতি একটি কৌশল হতে পারে, কিন্তু তথ্য নিজেরাই কথা বলছে। ২০২৬ সালে, যখন টিকা সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে অপ্রচলিত (২০২৩ সালের শেষে প্রদান বন্ধ হয়ে গেছে), তখন প্রশ্ন করা উচিত: কতগুলি 'জালিয়াতি' আসলে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কাজ ছিল? ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানকারী হিসেবে জার্মানির উচিত হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা প্রদান করা, যাতে ভুলের পুনরাবৃত্তি এড়ানো যায়। শেষ পর্যন্ত, প্রকৃত স্বাধীনতা মন্ত্রীর কথায় নয়, বরং রোগী ও ডাক্তারদের বাস্তব অধিকারের মধ্যে নিহিত।
The defender
🇺🇸A retired Air Force general who ran the labs tied to all those UFO rumors just vanished in Albuquerque and nobody knows where the hell he is. William Neil McCasland, 68, was last seen Friday morning, they’ve got a Silver Alert out, and now the FBI’s in on it too. Source:
🚨 EXCLUSIVE: SecWar's Pete Hegseth FIRST comments on Trump's directive to DECLASSIFY UAP & alien files! 👽🛸👀 "The President has made it clear: we're identifying the files and will release what doesn't compromise national security." But then he laughs nervously... "There's
On Day One of his presidency, @POTUS promised to deliver accountability through transparency by declassifying long-withheld government secrets and evidence of wrongdoing to restore trust in our federal agencies. Half a million documents declassified in year one alone. -JFK -RFK