We live inside a giant bubble 🫧 Created by the Sun, the “heliosphere” surrounds our entire solar system, but much of it remains unexplored. New findings have mapped a key part of our heliosphere — a result our soon-to-launch IMAP mission will explore in detail. 👇 🧵 1/4
নতুন গবেষণা সৌরজগতের সীমানা অঞ্চলের গঠন উন্মোচন করেছে
সম্পাদনা করেছেন: Uliana S.
আমাদের সৌরজগৎ একটি বিশাল বুদ্বুদ দ্বারা সুরক্ষিত, যা হেলিয়োস্ফিয়ার নামে পরিচিত। এই বুদ্বুদটি সূর্য থেকে নির্গত চার্জযুক্ত কণা, যা সৌর বায়ু নামে পরিচিত, তার প্রবাহ দ্বারা গঠিত এবং এটি আমাদের মহাজাগতিক প্রতিবেশী থেকে রক্ষা করে। সম্প্রতি, একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা দল, নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত তাদের গবেষণায়, এই হেলিয়োস্ফিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল, টার্মিনেশন শক-এর একটি বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করেছে। টার্মিনেশন শক হল সূর্যের থেকে প্রায় ১০০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (AU) দূরে অবস্থিত একটি অদৃশ্য সীমানা। এখানেই সৌর বায়ু আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাসের সঙ্গে সংঘর্ষে এসে উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে যায়।
নাসা-র ইন্টারস্টেলার বাউন্ডারি এক্সপ্লোরার (IBEX) মহাকাশযানের ডেটা ব্যবহার করে, বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এই টার্মিনেশন শক-এর শক্তি এবং আকৃতি বিশ্বব্যাপী জরিপ করেছেন। পূর্ববর্তী ভয়েজার প্রোবগুলির পরিমাপ কেবল দুটি দিক থেকে ডেটা সংগ্রহ করতে পারত, কিন্তু এই নতুন গবেষণাটি সৌর বায়ু এবং আন্তঃনাক্ষত্রিক মাধ্যমের মধ্যেকার মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ শূন্যস্থান পূরণ করেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে টার্মিনেশন শক কোনও অভিন্ন কাঠামো নয়। এটি সূর্যের মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি বেশি শক্তিশালী এবং সংকুচিত। এই ঘটনাটি মেরু অঞ্চল থেকে দ্রুত এবং শক্তিশালী সৌর বায়ু প্রবাহের কারণে ঘটে, বিশেষ করে সৌর ন্যূনতম (solar minimum) সময়কালে। অন্যদিকে, এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে শক দুর্বল থাকে, সম্ভবত এই বহিঃসীমায় পৌঁছানোর আগে সৌর বায়ু বেশি ভরের সম্মুখীন হয়ে ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে।
এই গবেষণায় হেলিয়োস্ফিয়ারে উত্তর-দক্ষিণ অসামঞ্জস্যও পরিলক্ষিত হয়েছে। সূর্যের চৌম্বকীয় কাঠামোর জটিল পরিবর্তনের ফলে এই অসামঞ্জস্য তৈরি হয়, যা মেরু অঞ্চল থেকে কোরোনাল হোলগুলির (coronal holes) পরিবর্তনের দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই কোরোনাল হোলগুলি হল সূর্যের এমন অঞ্চল যেখান থেকে চৌম্বক ক্ষেত্র মহাকাশে উন্মুক্ত হয় এবং সৌর বায়ু আরও অবাধে প্রবাহিত হতে পারে।
এই অন্বেষণের পরবর্তী পর্যায় শুরু হবে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নাসা-র ইন্টারস্টেলার ম্যাপিং অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন প্রোব (IMAP) মিশনের মাধ্যমে। এই মিশনটি অভূতপূর্ব বিস্তারিতভাবে হেলিয়োস্ফিয়ারের সীমানাগুলির চিত্রায়ণ করার লক্ষ্য রাখে। IBEX-এর ডেটার উপর ভিত্তি করে এবং IMAP-এর উন্নত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে, বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের এই মহাজাগতিক প্রাচীরের গঠন এবং গতিবিদ্যাকে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। এই জ্ঞান কেবল মহাজাগতিক কৌতূহল নিবারণই করে না, বরং এটি আমাদের মহাবিশ্বের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে জীবনের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গবেষণাগুলি মহাকাশ আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং মহাকাশে মানব অভিযানের সুরক্ষার জন্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সরবরাহ করবে।
উৎসসমূহ
India Today
NASA Targets September 2025 Launch for Heliophysics Missions
NASA’s IMAP Mission Poised for September 2025 Launch
এই বিষয়ে আরও খবর পড়ুন:
A Quintillion-to-One: Giant Stars, Tiny Dust public.nrao.edu/news/a-quintil… через @
This image shows the first "astrosphere" surrounding a Sun-like star younger than our Sun. This new discovery gives us a chance to study the structure our own Sun may have been embedded in several billion years ago. More at: s.si.edu/astrosphere ⭐
