জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিউশু দ্বীপের মাউন্ট শিনমোয়ে আগ্নেয়গিরিটি ২৮শে আগস্ট, ২০২৫ তারিখে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্রায় ৫,৫০০ মিটার (প্রায় ৫.৫ কিলোমিটার) উচ্চতায় ছাইয়ের একটি বিশাল স্তম্ভ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে। এটি এই আগ্নেয়গিরি থেকে জুলাই মাসের শুরুর পর থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছাই নিঃসরণ।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা (JMA) আগ্নেয়গিরিটির জন্য সতর্কতা স্তর ৩ বজায় রেখেছে, যা জনসাধারণকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য সতর্ক করে। মাউন্ট শিনমোয়ে জাপানের সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা আগ্নেয়গিরিগুলির মধ্যে অন্যতম এবং এটি শেষবার ২০২৫ সালের জুন মাসে অগ্ন্যুৎপাত করেছিল।
এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ছাইয়ের মেঘ প্রায় ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা জুলাই মাসের ৩ তারিখের পর থেকে সর্বোচ্চ। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে ও তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে বলেছে। এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে এখনও পর্যন্ত কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে, ছাইয়ের মেঘের কারণে স্থানীয় বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেমনটি পূর্বে জুলাই মাসের ৩ তারিখের অগ্ন্যুৎপাতের সময় ঘটেছিল, যখন কাগোশিমা বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। মাউন্ট শিনমোয়ে-এর অগ্ন্যুৎপাত জাপানের ভূতাত্ত্বিক কার্যকলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'রিং অফ ফায়ার'-এর উপর জাপানের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলে আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তা একটি স্বাভাবিক ঘটনা।
শিনমোয়ে-এর মতো আগ্নেয়গিরিগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় কারণ এগুলি স্থানীয় সম্প্রদায় এবং পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অগ্ন্যুৎপাতের পর ছাই অপসারণের গুরুত্বও বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরেছেন, কারণ এটি বৃষ্টির পরে ভূমিধসের মতো দুর্যোগের কারণ হতে পারে।



