
আপনার প্রতিটি ইচ্ছা বাস্তবায়িত হতে বাধ্য
লেখক: lee author

❓প্রশ্ন:
«চলে যাওয়ার আসল কারণ মূলত একটিই – কোনো ব্যক্তি নিজের অস্তিত্বের এত বিশাল এক সত্তা তৈরি করে ফেলেছেন যে বর্তমান শরীরের পক্ষে তার সাথে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব হয় না। «বেলুনটি এতটাই ফুলে গিয়েছিল যে সেটি শেষ পর্যন্ত ফেটে গেছে।» - (উদ্ধৃতি: https://t.me/lee_vibrations/9494)
দয়া করে বুঝিয়ে বলবেন কি আপনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন এবং এর অর্থ কী?! নিজের বিশাল আয়তন বলতে কি আপনি ব্যাপ্তি বুঝিয়েছেন? গভীরতা? নাকি প্রশস্ততা?
❗️লি-র উত্তর:
আপনি আপনার জীবন কেবল ‘দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার’ জন্য তৈরি করেন না, বরং আপনার এমন কিছু লক্ষ্য থাকে যা অহংবোধের রৈখিক চিন্তাভাবনার উর্ধ্বে (সম্পদ জমানো, কোনো প্রাণীকে খাওয়ানো, বংশ রক্ষা করা, অন্য বংশ ধ্বংস করা, পূর্বসূরিদের কাজ এগিয়ে নেওয়া, বেঁচে থাকার অধিকার অর্জন করা কিংবা স্মৃতিরক্ষার্থে স্মৃতিস্তম্ভ পাওয়া...— অনন্ত আত্মার কাছে এ সবই আসলে অর্থহীন)। আপনি কি এ বিষয়ে একমত?
সুতরাং, আত্মা হিসেবে আপনি আপনার নিজস্ব কিছু লক্ষ্য নিয়ে এই মর্ত্যে আবির্ভূত হন।
কিন্তু এখানে ব্যক্তিত্ব হিসেবে আপনি সম্পদ, স্মৃতিস্তম্ভ, পদক, অর্থ, প্রমোদতরী, বিভিন্ন মানুষের সাথে সম্পর্ক, পশুপালন, বাগান করা, সিম্ফনি লেখা, পথচারীকে উপহাস করা কিংবা প্যারাশুট দিয়ে ঝাঁপ দেওয়ার মতো হাজারো বিষয় কল্পনা করেন। বিভিন্ন অনুভূতির স্তরে তৈরি হয় এক অন্তহীন ইচ্ছার জাল।
এই পর্যায়ে আমাদের সেই অসংখ্য প্রশ্ন ও সন্দেহের কথা মনে পড়ে যায়— "আসলেই কি আমার কোনো স্বাধীন ইচ্ছা আছে?"...
হ্যাঁ, আছে।
আপনি যা যা কল্পনা করেছেন, তার সবকিছুই বাস্তবায়িত হবে। মহাবিশ্বের কার্যপদ্ধতির মূল নিয়ম অনুযায়ী আপনার প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ হতে বাধ্য। প্রতিটি ইচ্ছা। সবকিছুই নথিভুক্ত এবং বাস্তবায়নের ধারায় অন্তর্ভুক্ত। সবসময় আক্ষরিকভাবে না হলেও, অনুভূতির দিক থেকে তা হবে একদম নিখুঁত।
সুতরাং, আপনার এই অংশগুলো বাস্তবায়িত হতে বাধ্য, কিন্তু আপনি সবসময় তার জন্য প্রস্তুত থাকেন না। সহজ কথায় বলতে গেলে— প্রায় সব মানুষই তাদের জীবনে ইচ্ছার এক বিশাল সুনামি তৈরি করে, কিন্তু সেগুলোর সিংহভাগই (৯৯%) তারা নিজেদের পূরণ করতে দেয় না (আমি পারব না, আমার সামর্থ্য নেই, আমি এর যোগ্য নই, অনেক দেরি হয়ে গেছে, সমাজ কী বলবে, লোকে প্রশংসা করবে না, লজ্জার ব্যাপার, আমি সামলাতে পারব না, জানি না কীভাবে করতে হয়...)।
ইচ্ছার এই শক্তি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, তখনই আত্মার পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত আসে— "আমরা এখানে আর নতুন কিছু বাস্তবায়ন করছি না, এবার অন্য কোনো জন্মে এগিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে"। কারিগরিভাবে— ইচ্ছাগুলো সৃজনশীল শক্তিকে এতটাই ‘প্রসারিত’ করে ফেলে যে, সেই শক্তিগুলো ইতিমধ্যেই অন্য কোনো জন্মের দিকে ধাবিত হয়।
এটি আপনার প্রশ্নের উত্তর, তবে এখানে সমীকরণে পরসেবার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অর্থাৎ কৌশলগতভাবে শক্তি সবসময়ই একটি জীবনের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে চায়, কিন্তু এই শক্তি তৈরির যুক্তি এবং ইচ্ছা পূরণে বাধার কারণগুলো ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
28 দৃশ্য
উৎসসমূহ
Сайт Автора lee
এই বিষয়ে আরও নিবন্ধ পড়ুন:
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।



