Syzygium rubrocarpum (#Myrtaceae): a #newspecies of Wallacean Syzygium with red-colored globose berries #taxonomy doi.org/10.11646/phyto…
দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়েতে নতুন Syzygium প্রজাতির সন্ধান
সম্পাদনা করেছেন: An goldy
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়ে অঞ্চলে বিজ্ঞানীরা Syzygium গণের একটি নতুন প্রজাতির সন্ধান পেয়েছেন, যা দেশটির সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বান্দুং ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (ITB) এবং ন্যাশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন এজেন্সি (BRIN)-এর গবেষকদের যৌথ উদ্যোগে এই প্রজাতিটি আবিষ্কৃত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে 'রুরুহি' নামে পরিচিত এই নতুন প্রজাতিটির আনুষ্ঠানিক নামকরণ করা হয়েছে Syzygium rubrocarpum।
এই আবিষ্কারটি ইন্দোনেশিয়ার উদ্ভিদজগতের বিশাল সম্ভারকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। ১৯৯৬ সালে কোলাকা থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলি বোগোর বোটানিক্যাল গার্ডেনের জীবন্ত সংগ্রহশালায় পরীক্ষা করা হয়েছিল। বিস্তারিত অঙ্গসংস্থানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষকরা Wallacea অঞ্চলের অন্যান্য Syzygium প্রজাতি থেকে এর উল্লেখযোগ্য পার্থক্যগুলি চিহ্নিত করেছেন। Syzygium rubrocarpum-এর ফল গোলাকার এবং উজ্জ্বল লাল রঙের, যা এটিকে অন্যান্য প্রজাতি থেকে স্বতন্ত্র করে তুলেছে। পূর্বে, এই প্রজাতিটিকে প্রায়শই Syzygium polycephalum-এর সাথে গুলিয়ে ফেলা হতো, যার ফল গাঢ় বেগুনি-কালো রঙের হয়। Syzygium rubrocarpum নামটি, যার অর্থ 'লাল-ফলযুক্ত', এই প্রজাতির প্রধান বৈশিষ্ট্যকেই নির্দেশ করে।
গবেষণাটি মূলত Irvan Martiansyah-এর বোগোর বোটানিক্যাল গার্ডেনের সংগ্রহ করা নমুনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। এই নমুনাগুলি ১৯৯৬ সালে প্রয়াত Subekti Purwantoro, একজন সিনিয়র LIPI গবেষক, কোলাকা, দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়ে থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। Arifin Surya Dwipa Irsyam, যিনি এই গবেষণার প্রধান লেখক, জানান যে অঙ্গসংস্থানিক বিশ্লেষণ করে Syzygium rubrocarpum-এর সাথে Wallacea অঞ্চলের অন্যান্য Syzygium প্রজাতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে, বিশেষ করে এর গোলাকার এবং উজ্জ্বল লাল রঙের ফল।
এই আবিষ্কারটি ইন্দোনেশিয়ার উদ্ভিদকুলের উপর আরও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে এবং সাধারণ বাণিজ্যিক উদ্ভিদের মধ্যেও নতুন আবিষ্কারের সম্ভাবনাকে নির্দেশ করে। ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়ে দ্বীপটি Wallacea অঞ্চলের বৃহত্তম স্থলভাগ গঠন করে, যা এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার জীববৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। এই অঞ্চলে প্রায় ৯৮% স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৩৩% পাখি এবং প্রায় ৮০% উভচর প্রজাতি স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়, যা এটিকে জীববৈচিত্র্যের এক অনন্য হটস্পট হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
Syzygium গণের প্রায় ১০০০ প্রজাতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পাওয়া গেলেও, সুলাওয়ে অঞ্চলের Syzygium প্রজাতিগুলি নিয়ে গবেষণা এখনও সীমিত। ২০১৫ সালের একটি সমীক্ষায় সুলাওয়েতে প্রায় ৩৫০০টি অজানা Syzygium প্রজাতির সংগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, যা এই গণের উপর আরও গভীর গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। বোগোর বোটানিক্যাল গার্ডেন, যা ১৮১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ইন্দোনেশিয়ার উদ্ভিদবিদ্যা চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই নতুন Syzygium rubrocarpum প্রজাতির আবিষ্কার ইন্দোনেশিয়ার উদ্ভিদবৈচিত্র্যের প্রতি আমাদের মনোযোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতের গবেষণার জন্য নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে।
উৎসসমূহ
detikedu
Institut Teknologi Bandung (ITB)
এই বিষয়ে আরও খবর পড়ুন:
Zamia urarinorum (#Cycadales, #Zamiaceae), a new cycad species from wetland forests of Loreto, #Peru #taxonomy #openaccess #newspecies doi.org/10.11646/phyto…
Nymphanthus vietnamensis, a #newspecies of #Phyllanthaceae from Central #Vietnam #taxonomy doi.org/10.11646/phyto…
Uma expedição científica da Unicamp e do Jardim Botânico do Rio de Janeiro realizou um feito histórico para a botânica nacional. A Begonia larorum, uma planta endêmica do Arquipélago de Alcatrazes (litoral norte de SP), foi reencontrada após mais de um século sem registros
