২০২৬ সালের বাজেটকে প্রভাবিত করার জন্য ফরাসি ইউনিয়নগুলির নতুন ব্যয়-বিরোধী বিক্ষোভ
সম্পাদনা করেছেন: undefined undefined
ফ্রান্সের ইউনিয়নগুলি আজ, ২ অক্টোবর, ২০২৫-এ, ২০২৬ সালের বাজেট প্রস্তাবের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য ব্যয়-বিরোধী বিক্ষোভের একটি নতুন পর্যায় শুরু করেছে। সরকার বাজেট ঘাটতি এবং রেকর্ড ৩.৪ ট্রিলিয়ন ইউরো (জিডিপির ১১৫.৬%) রাষ্ট্রীয় ঋণ কমানোর চেষ্টা করছে। এই বাজেটে প্রায় ৪০-৪৪ বিলিয়ন ইউরো ব্যয় কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও ধর্মঘট পরিকল্পিত হয়েছে, তবে পূর্ববর্তী প্রতিবাদের তুলনায় এগুলি কম বিঘ্নিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিক্ষোভগুলি বিমান এবং গণপরিবহনে সীমিত প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পূর্ববর্তী ১৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবাদে কয়েক লক্ষ শ্রমিক ও শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছিল এবং প্যারিসের মেট্রো পরিষেবাগুলিও ব্যাহত হয়েছিল। তবে, ২ অক্টোবরের বিক্ষোভের প্রভাব কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে, শুধুমাত্র প্যারিস বোভাইস বিমানবন্দরে ফ্লাইট সময়সূচী হ্রাস পাবে। উচ্চ-গতির ট্রেন এবং প্যারিস মেট্রো স্বাভাবিকভাবে চলার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফ্রান্সের আটটি বৃহত্তম ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন দাবি করছে যে বাজেট যেন সরকারি পরিষেবাগুলির জন্য পর্যাপ্ত সংস্থান নিশ্চিত করে, একটি ন্যায্য পরিবেশগত পরিবর্তনে বিনিয়োগ করে, ফ্রান্সের পুনর্গঠন করে । তারা কর ন্যায়বিচারও দাবি করছে, যার মধ্যে রয়েছে বড় সম্পত্তি এবং অতি-উচ্চ আয়ের উপর কর আরোপের ব্যবস্থা।
সরকার নতুন বাজেট প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে, যা সংসদীয় সমর্থন অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সরকার কঠোর ব্যয় সংকোচন নীতি পরিকল্পনা করছে। তবে সরকার কর হ্রাসের পক্ষেও রয়েছে, বিশেষ করে শ্রমের উপর। সরকার সংসদীয় দলগুলির সাথে আলোচনা করছে, তবে বামপন্থী দলগুলির প্রধান দাবিগুলির প্রতি তেমন সাড়া দেয়নি।
এই বিক্ষোভগুলি ফ্রান্সের বর্তমান অর্থনৈতিক নীতির উপর জনগণের অসন্তোষকে প্রতিফলিত করে। পূর্ববর্তী বিক্ষোভগুলিতে, বিশেষ করে ১৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবাদে, কয়েক লক্ষ মানুষ অংশ নিয়েছিল এবং প্যারিসের মেট্রো পরিষেবাগুলিও উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে, ২ অক্টোবরের বিক্ষোভের প্রভাব কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে শুধুমাত্র প্যারিস বোভাইস বিমানবন্দরে ফ্লাইট সময়সূচী হ্রাস পাবে। উচ্চ-গতির ট্রেন এবং প্যারিস মেট্রো স্বাভাবিকভাবে চলার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইউনিয়নগুলি ২০২৬ সালের বাজেট চূড়ান্ত করার উপর বিক্ষোভের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা সরকারি নীতির উপর চাপ বজায় রাখতে চায় এবং আশা করে যে তাদের দাবিগুলি পূরণ করা হবে। যদিও এই বিক্ষোভগুলি কম বিঘ্নিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবুও তারা ফ্রান্সের রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্যারিস বোভাইস বিমানবন্দর থেকে কিছু ফ্লাইটের সময়সূচী হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে অন্যান্য প্রধান পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কাজ করবে বলে আশা করা হয়। এই ঘটনাগুলি ফ্রান্সের অর্থনৈতিক নীতি এবং শ্রমিক অধিকারের উপর চলমান বিতর্কের একটি অংশ।
সরকার ২০২৬ সালের জন্য একটি বাজেট ঘাটতি প্রায় ৪.৭ শতাংশ জিডিপিতে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সরকার কঠোর ব্যয় সংকোচন নীতি পরিকল্পনা করছে।
ইউনিয়নগুলির প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সরকারি পরিষেবার জন্য পর্যাপ্ত সংস্থান নিশ্চিত করা, পরিবেশগত পরিবর্তনে বিনিয়োগ, ফ্রান্সের পুনর্গঠন । তারা বড় সম্পত্তি এবং অতি-উচ্চ আয়ের উপর কর আরোপের মাধ্যমে কর ন্যায়বিচারও দাবি করছে।
২ অক্টোবর, ২০২৫-এর বিক্ষোভের ফলে প্যারিস বোভাইস বিমানবন্দরে ফ্লাইট সময়সূচীতে কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে অন্যান্য প্রধান পরিবহন ব্যবস্থা, যেমন উচ্চ-গতির ট্রেন এবং প্যারিস মেট্রো, স্বাভাবিকভাবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
13 দৃশ্য
উৎসসমূহ
Bloomberg Business
France’s big protest: Who’s on strike, why and what’s next? | Business and Economy News | Al Jazeera
Unions strike against national budget measures | EPSU
এই বিষয়ে আরও খবর পড়ুন:
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।



