৪ মে ২০২৬-এ বেবিমনস্টার-এর নতুন কাজ মুক্তি পাওয়ার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, বড় এজেন্সিগুলো কীভাবে এখন শুধুমাত্র 'দৃশ্যমান' কন্টেন্টের বদলে সংগীতের গুণগত মানের দিকে বেশি ঝুঁকছে। তাদের মিনি-অ্যালবাম 'চুম (CHOOM)' মূলত উগ্র হিপ-হপ ধারা থেকে বেরিয়ে এসে আরও জটিল ও শৈল্পিক পারফরম্যান্সের দিকে তাদের যাত্রাকে তুলে ধরে।
প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ২৫ মিলিয়ন ভিউয়ের পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, এই দলটি একটি একনিষ্ঠ ভক্তগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। যদিও এটি কোনো বিস্ময়কর উল্লম্ফন নয়, তবুও পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের নতুন দলগুলোর সাথে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঝেও এটি তাদের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখার ইঙ্গিত দেয়। পূর্ববর্তী রিলিজের তুলনায় ফিজিক্যাল অ্যালবামের বিক্রি ১.৫ গুণ বৃদ্ধি পাওয়া মূলত ফ্যানডমের সাথে দক্ষ যোগাযোগ এবং সংগ্রহযোগ্য সংস্করণগুলোর সার্থক বাণিজ্যিকীকরণের ফল।
সঙ্গীত জগতের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট (YG Entertainment) এখন স্পষ্টভাবেই শিল্পীদের 'লাইভ' দক্ষতার ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। অ্যালবামের নাম 'চুম', যার অর্থ 'নাচ', মূলত কোরিওগ্রাফির সেই জটিলতাকে ফুটিয়ে তোলে যা এআই (AI) অ্যাভাটার বা ভার্চুয়াল গ্রুপগুলো একই আবেগ দিয়ে ফুটিয়ে তুলতে পারে না।
সিউল থেকে শুরু হতে যাওয়া তাদের বিশ্ব সফর 'চুম ওয়ার্ল্ড ট্যুর' দলটির সহনশীলতার পরীক্ষা নেবে। দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিতে এটি বেবিমনস্টারকে 'কিংবদন্তিদের ছোট বোন' তকমা থেকে মুক্ত করে একটি স্বতন্ত্র ব্র্যান্ডে পরিণত করবে, যা এজেন্সির জন্য দীর্ঘস্থায়ী আয় নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।
'রুকি মনস্টার' বা নবাগত দানব হিসেবে তাদের সেই সতেজতা যখন একসময় ফুরিয়ে যাবে এবং তারা মঞ্চের প্রবীণ তারকায় পরিণত হবে, তখনো কি তারা এই গতি ধরে রাখতে পারবে? ২০২৬ সালের বাজার কেবল সুর ও ছন্দ নয়, বরং গভীর অর্থও দাবি করে।



