'ইট এন্ডস উইথ আস' (It Ends With Us) সিনেমার শ্যুটিং সংক্রান্ত মামলায় ব্লেক লাইভলি এবং জাস্টিন বালডনি অবশেষে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। কোনো আর্থিক লেনদেন ছাড়াই ২০২৬ সালের ৪ মে এই দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে, যেখানে কেবল আইনি খরচ মেটানোর শর্ত রাখা হয়েছে।
বিরোধের প্রেক্ষাপট
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে লাইভলি অভিনেতা বালডনি এবং তার প্রতিষ্ঠান ওয়েফেয়ারার স্টুডিওসের বিরুদ্ধে সেটে বিষাক্ত পরিবেশ সৃষ্টি, হয়রানি এবং মানহানির অভিযোগে মামলা করেন। এর প্রেক্ষিতে বালডনি লাইভলি ও তার স্বামী রায়ান রেনল্ডসের বিরুদ্ধে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের মানহানির পাল্টা মামলা করলেও ২০২৫ সালে আদালত তা খারিজ করে দেয়।
২০২৬ সালের এপ্রিলে বিচারক লুইস লিমান লাইভলির উত্থাপিত ১৩টি অভিযোগের মধ্যে ১০টিই নাকচ করে দেন। এর ফলে মামলায় কেবল চুক্তি লঙ্ঘন ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোই অবশিষ্ট ছিল।
সমঝোতার বিস্তারিত
উভয় পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি যৌথ বিবৃতিতে কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গীকার এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে ব্যক্তিগত তথ্য বা বার্তা ফাঁসের বিষয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ শোনা গেলেও সেগুলো ছিল মূলত মামলার আইনি প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট।
পক্ষদ্বয়ের জন্য গুরুত্ব
এই চুক্তির ফলে ২০২৬ সালের মে মাসের মাঝামাঝি নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়া এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের সশরীরে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল। প্রধান মামলাগুলো খারিজ হওয়ায় বালডনি ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে রেহাই পেয়েছেন, অন্যদিকে লাইভলি বিষাক্ত পরিবেশের শিকার হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
এই দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে উভয় পক্ষের সম্মিলিত আইনি খরচ কয়েক কোটি ডলারে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



