হার্টলক-এর নতুন সিনেমা ‘দ্য মোর দ্য মেরিয়ার’-এ হৃদরোগ সারভাইভারদের বিশেষ উপস্থিতি
সম্পাদনা করেছেন: An goldy
উৎসবের মরসুমকে রঙিন করতে হার্টলক টেলিভিশন চ্যানেল তাদের বার্ষিক ‘কাউন্টাডাউন টু ক্রিসমাস’ সিরিজের অংশ হিসেবে নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য মোর দ্য মেরিয়ার’ (The More the Merrier) মুক্তির ঘোষণা করেছে। এই বিশেষ সিনেমাটি আগামী ২০২৫ সালের ২৮শে নভেম্বর দর্শকদের সামনে পরিবেশিত হবে। এটি নিঃসন্দেহে ছুটির দিনের বিনোদনের এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
চলচ্চিত্রটির পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন পিটার বেনসন। গল্পের মূল কাঠামো আবর্তিত হয়েছে দুই চিকিৎসকের জীবনকে কেন্দ্র করে, যারা বড়দিনের ঠিক আগের মুহূর্তে এক প্রত্যন্ত হাসপাতালে আটকে পড়েন। আকস্মিক এবং প্রবল তুষারপাতের কারণে সেখানে অপ্রত্যাশিতভাবে প্রসবের জন্য আসা মহিলাদের ভিড় জমে যায়। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন র্যাচেল বোস্টন এবং ব্র্যান্ডন পেনি। এই দুই শিল্পীর চরিত্রকে একসাথে এই সংকট মোকাবিলা করতে হয় এবং এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের মধ্যে এক ব্যক্তিগত বন্ধনও গড়ে ওঠে।
এই চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ দিক হলো এর সঙ্গে বাস্তব জীবনের সংযোগ। এতে ক্যামেরার সামনে আসবেন অ্যাবট হার্টমেটস (Abbott HeartMates) কমিউনিটির সদস্যরা। এরা হলেন সেইসব মানুষ, যারা গুরুতর হৃদরোগজনিত সমস্যা সফলভাবে কাটিয়ে উঠেছেন। হার্টলকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো চলচ্চিত্রে সরাসরি হৃদরোগে আক্রান্ত বাস্তব রোগীদের অংশগ্রহণ করানো হচ্ছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পেশাদার ফুটবলার এবং হার্টমেটস কমিউনিটির অ্যাম্বাসেডর ডামার হ্যামলিন, যিনি নিজে হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে ফিরেছেন।
হার্টমেটস কমিউনিটির পাঁচজন শিশু ও কিশোর, যারা হ্যামলিনের সঙ্গে বাফেলো, নিউ ইয়র্কে পূর্বে সাক্ষাৎ করেছিল, তারা একটি দৃশ্যে অভিনয় করবে। এই বাফেলোতেই হ্যামলিনের সঙ্গে তাদের দেখা হয়েছিল। অ্যাবট কোম্পানি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই হার্টমেটস কমিউনিটির মূল লক্ষ্য হলো হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই করার সময় রোগীদের মধ্যে যে একাকীত্বের অনুভূতি জন্মায়, তা দূর করা। এই রোগে আমেরিকায় এক কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত।
চলচ্চিত্রে আরও কিছু হার্টমেটস সদস্যের অনুপ্রেরণামূলক গল্প তুলে ধরা হবে। উদাহরণস্বরূপ, ডালাস নিবাসী ১৭ বছর বয়সী জিক ম্যাকিন্সের গল্প দেখানো হবে, যে ১২ বছর বয়সে অ্যাবট মাস্টার্স মেকানিক্যাল ভালভ বসানোর জন্য ওপেন হার্ট সার্জারি করিয়েছিল। এছাড়াও, লাস ভেগাসের ১০ বছর বয়সী টনি ডালির কাহিনি থাকবে, যার শরীরে অ্যাবট অ্যামপ্ল্যাটজার পিকোলো অক্লুডার বসানো হয়েছিল। শিকাগোর ১৬ বছর বয়সী জাডেন হার্টলিও থাকবেন, যিনি প্রতিস্থাপনের আগে ইএলভিও ডিভাইস পেয়েছিলেন। চিত্রনাট্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে অ্যাবটের কার্ডিওলজিস্ট এবং বিশেষজ্ঞরা চিত্রনাট্য রচনায় সহায়তা করেছেন।
‘দ্য মোর দ্য মেরিয়ার’ সিনেমাটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠান আগামী ২০২৫ সালের ২৮শে নভেম্বর, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৮টায় (ইস্টার্ন টাইম) অনুষ্ঠিত হবে। যারা সরাসরি প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, তারা পরের দিন, অর্থাৎ ২৯শে নভেম্বর থেকে হার্টলক প্লাস (Hallmark+) প্ল্যাটফর্মে এটি স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবেন। এই বিশেষ সংযোজন নিঃসন্দেহে দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে।
উৎসসমূহ
News.de
News.de
News.de
Press Releases
TV Insider
TV Guide
Hallmark Channel
Wikipedia
Screen Daily
The Playlist
Sky Group
Televisual
HeyUGuys
The Upcoming
Pearl & Dean Cinemas
Televisual
close-upfilm
এই বিষয়ে আরও খবর পড়ুন:
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?
আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।
