X1.0 flare @ N10°E41° (NOAA 4366) 2026-02-01 12:25 / 12:33 \ 12:37 UT
4366 অঞ্চলে X1.04 ফ্লেয়ার 2026-02-01 12:33 UTC
শেয়ার করুন
লেখক: Uliana Soloveva
X1.0 flare @ N10°E41° (NOAA 4366) 2026-02-01 12:25 / 12:33 \ 12:37 UT
4366 অঞ্চলে X1.04 ফ্লেয়ার 2026-02-01 12:33 UTC
সূর্য তার সাম্প্রতিক শান্ত অবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী এবং আকস্মিক আঘাত হেনেছে, যা বর্তমান সৌর চক্রের প্রথম বিশাল অগ্ন্যুৎপাত হিসেবে নথিবদ্ধ হয়েছে। মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার একটি সংক্ষিপ্ত প্রশান্তির পর, যখন নক্ষত্রটি তার অস্বাভাবিক ন্যূনতম সক্রিয়তার পর্যায় থেকে বেরিয়ে আসছিল, তখনই এই শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ইউটিসি সময় ১২:৩৩ মিনিটে সূর্য থেকে এই প্রত্যাশিত কিন্তু বিস্ময়কর শক্তির নিঃসরণ ঘটে। এই ঘটনাটি একটি শীর্ষ-স্তরের এক্স-ক্লাস ফ্লেয়ার, যা বিজ্ঞানীদের দেওয়া সতর্কবার্তাকে সত্য প্রমাণ করেছে এবং একটি নতুন চিহ্নিত সক্রিয় অঞ্চলের বিস্ফোরক সম্ভাবনাকে নিশ্চিত করেছে।
AR 4366 produced an X1.04 flare peaking around 1233 UT today. This was part of a triad of flares in short succession with M6.75 and M5.88 flares shortly before and after the X-class, respectively. Notably, there was NO CME produced by this event...
AR 4366 একটি X1.04 ফ্লেয়ার উৎপাদন করেছে। এটি X-ক্লাস-এর আগে ও পরে M6.75 ও M5.88‑র ফ্লেয়ারের সাথে একটি ছোট ক্রমের মধ্যে একটি ফ্লেয়ার ত্রয়ীর অংশ ছিল।
এই সৌর শিখাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এক্স১.০৪ ইভেন্ট হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, যা সক্রিয় অঞ্চল নম্বর ৪৩৬৬-এর মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত তীব্রতা বৃদ্ধির চূড়ান্ত রূপ। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে, সৌর ডিস্কের এই এলাকাটি প্রায় অদৃশ্য একটি বিন্দু থেকে সৌর অস্থিরতার একটি বিশাল এবং উত্তাল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। যদিও ১ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত মাঝারি মানের এম-ক্লাস ফ্লেয়ার রেকর্ড করা হচ্ছিল, তবে এক্স-ক্লাস পর্যায়ে এই আকস্মিক উত্তরণ শক্তির এক গুণগত উল্লম্ফনকে নির্দেশ করে। এই ধরনের উচ্চ-স্তরের শিখা মহাকাশে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত করে, যা দীর্ঘপাল্লার রেডিও যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং পৃথিবীতে উল্লেখযোগ্য ভূ-চৌম্বকীয় প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম।
বিজ্ঞানীদের কাছে এই ঘটনার অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো অগ্ন্যুৎপাতের নির্দিষ্ট জ্যামিতিক অবস্থান, যা প্রচলিত পূর্বাভাস মডেলগুলোকে কিছুটা জটিল করে তুলেছে। এই বিস্ফোরণটি সূর্য থেকে পৃথিবীর সরাসরি সংযোগকারী কাল্পনিক রেখা থেকে প্রায় ৫০ ডিগ্রি দূরে সংঘটিত হয়েছে। এটি হেলিওফিজিসিস্ট বা সৌর পদার্থবিদদের জন্য একটি অনন্য পর্যবেক্ষণমূলক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিভিন্ন সৌর মানমন্দিরের তথ্য অনুযায়ী, এই ফ্লেয়ারটির সাথে একটি করোনাল মাস ইজেকশন বা সিএমই যুক্ত ছিল। তবে সৌর ডিস্কে ফ্লেয়ারটির পার্শ্ববর্তী অবস্থানের কারণে, আমাদের গ্রহে সরাসরি আঘাত হানার সম্ভাবনা বর্তমানে ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মহাকাশ আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা এই অগ্ন্যুৎপাতকে একটি পার্শ্ববর্তী ঘটনার ধ্রুপদী উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, প্লাজমা মেঘের শক্তির সিংহভাগ সম্ভবত পৃথিবীর কক্ষপথকে স্পর্শ না করেই মহাকাশের শূন্যতার মধ্য দিয়ে চলে যাবে। তা সত্ত্বেও, একটি আংশিক বা পার্শ্ববর্তী আঘাতের সম্ভাবনা নিয়ে নিবিড়ভাবে মডেলিং করা হচ্ছে। এত চরম কোণ থেকে প্রভাব ফেলতে হলে, নির্গত প্লাজমা মেঘকে অত্যন্ত প্রশস্ত এবং শক্তিশালী হতে হবে। বিজ্ঞানীরা বর্তমানে প্লাজমা মেঘের সঠিক বিস্তার এবং গতিবেগ নির্ধারণের জন্য বিশেষায়িত করোনাগ্রাফ থেকে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।
অঞ্চল ৪৩৬৬-এর এই দ্রুত বিকাশ সৌর চক্রের অস্থির প্রকৃতি এবং চৌম্বক ক্ষেত্রগুলো কত দ্রুত পুনর্গঠিত হয়ে সঞ্চিত শক্তি নির্গত করতে পারে, তা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। মাত্র আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে একটি সামান্য সানস্পট থেকে এক্স-ক্লাস উৎসে রূপান্তর সূর্যের অভ্যন্তরীণ জটিলতারই প্রমাণ। যদিও ফ্লেয়ার থেকে নির্গত বিকিরণ আলোর গতিতে পৃথিবীতে পৌঁছেছে এবং তাৎক্ষণিক কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য আয়নোস্ফিয়ারিক গোলযোগ সৃষ্টি করেছে, তবে সিএমই-র ধীরগতির কণাগুলোর ভ্রমণে আরও সময়ের প্রয়োজন হয়। এই বিলম্ব গবেষকদের তাদের প্রভাব সিমুলেশনগুলো আরও নিখুঁত করার এবং প্রয়োজনে সতর্কতা জারির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় প্রদান করে।
পৃথিবীর প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর জন্য যেকোনো সরাসরি হুমকির সম্ভাবনা আগামী কয়েক দিনে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৪৩৬৬ নম্বর সক্রিয় অঞ্চলটি ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবারের মধ্যে পৃথিবীর সরাসরি মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসবে। একবার এই অঞ্চলটি ভূ-কার্যকরী জোনে প্রবেশ করলে, যেকোনো বড় ধরনের বিস্ফোরণ সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধাবিত হওয়ার পথ পাবে। এক্স১.০৪ ফ্লেয়ারটি এই অঞ্চলের শক্তি সঞ্চয়ের একটি শক্তিশালী প্রদর্শন হিসেবে কাজ করছে, যা আগামী সপ্তাহের উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ সৌর অবস্থানের জন্য একটি আগাম সতর্কতা।
পরিশেষে, এই ঘটনার তাৎপর্য নিহিত রয়েছে এর আক্রমণাত্মক গতিশীলতা এবং উৎসের অবস্থান বিশ্লেষণের জটিলতার মধ্যে। সূর্য তার শক্তি প্রদর্শনের জন্য কোনো অনুকূল কোণের অপেক্ষা করেনি, যা বিজ্ঞানীদের জন্য প্রচুর জটিল তথ্য রেখে গেছে। যদিও বর্তমানে পৃথিবীর জন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি নিরাপদ বলে মনে হচ্ছে, তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা বিশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই সময়টি বর্তমান সিএমই-র পথ চূড়ান্তভাবে মূল্যায়ন করতে এবং বর্তমান সৌর চক্রের সম্ভাব্য সবচেয়ে সক্রিয় সপ্তাহের জন্য একটি শক্তিশালী পূর্বাভাস তৈরি করতে ব্যবহৃত হবে।
Researchers from @IAC_Astrofisica and @ULL have achieved the most precise measurement so far of the Sun’s tachocline, a very thin transition layer located deep inside the star that plays a central role in the generation of solar magnetism. This region lies roughly 200,000
M2.8 flare @ S15°E19° (NOAA 4392) 2026-03-16 12:00 / 12:15 \ 12:32 UT