Tweet not found
The embedded tweet could not be found…
অ্যাস্ট্রোনটের চলাচলে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা একটি রোবটিক এক্সোসুইট, সিমুলেটেড চাঁদ মিশনে পরীক্ষিত হয়েছে।
শেয়ার করুন
সম্পাদনা করেছেন: Tetiana Martynovska 17
The embedded tweet could not be found…
অ্যাস্ট্রোনটের চলাচলে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা একটি রোবটিক এক্সোসুইট, সিমুলেটেড চাঁদ মিশনে পরীক্ষিত হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সম্প্রতি একটি যুগান্তকারী অগ্রগতি প্রদর্শিত হয়েছে। একটি নতুন, সমন্বিত এক্সোসুট সিস্টেমের কঠোর সিমুলেশন পরীক্ষার মাধ্যমে এই অগ্রগতি দেখানো হয়। এই উন্নত পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিটি মহাকাশচারীদের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পৃষ্ঠতলের কার্যক্রমে শারীরিক চাপ কমাতে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি ADAMA অ্যানালগ অ্যাস্ট্রোনট মিশনের সময় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছিল। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়ের CRATER সুবিধায় এই দুই সপ্তাহব্যাপী মহড়াটি অক্টোবর ৯ থেকে অক্টোবর ২২, ২০২৫ পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
পরীক্ষার পরিবেশটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ক্যালিব্রেট করা হয়েছিল, যাতে চন্দ্র এবং মঙ্গল গ্রহের কঠিন ভূ-প্রকৃতির পরিস্থিতি নিখুঁতভাবে প্রতিলিপি করা যায়। চাঁদের দিনের তীব্র আলোর অভাবকে সঠিকভাবে অনুকরণ করার জন্য এখানে কম প্রতিফলনের (low reflectivity) সেটিংস ব্যবহার করা হয়েছিল। এই সিস্টেমের মূল উদ্ভাবন হলো এর নকশা: এটি কৃত্রিম পেশী (artificial musculature) সমন্বিত একটি সমন্বিত স্যুট, যা একটি সাধারণ স্পেসস্যুটের নিচে বিচক্ষণতার সাথে পরিধান করার জন্য তৈরি। এই ট্রায়ালের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল পরিধানকারীর আরাম, চলাচলের সুবিধা এবং সামগ্রিক বায়োমেকানিক্যাল দক্ষতার উপর স্যুটের প্রভাব মূল্যায়ন করা।
চারজন অ্যানালগ মহাকাশচারী—অ্যাড্রিয়ান আইলিংসফেল্ড (Adrian Eilingsfeld), লুই বার্টজ (Louis Burtz), ইলিজা হ্রিস্টোভস্কি (Ilija Hristovski), এবং কাটো ক্লেয়স (Kato Claeys)—পৃষ্ঠতলের অতিরিক্ত যানবাহন কার্যকলাপের (Extravehicular Activities) প্রতিনিধিত্বকারী কাজগুলি সম্পন্ন করেন। তাঁরা রেগোলিথ সিমুল্যান্ট ব্যবহার করে একটি বিশাল ৫০০ বর্গমিটার অপারেশনাল এলাকায় অসমতল ভূমি অতিক্রম করা, ঢাল বেয়ে ওঠা এবং সরঞ্জাম বহন করার মতো কাজগুলি করেন। ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপার এমানুয়েল পুলভিরেন্টি (Emanuele Pulvirenti) এই উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, এই ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের পরিধানযোগ্য রোবোটিক সিস্টেমের জন্য একটি অত্যাবশ্যক পূর্বসূরি, যা দীর্ঘমেয়াদি মিশনের ক্রমবর্ধমান শারীরিক ক্লান্তি হ্রাস করার পাশাপাশি মহাকাশচারীর কর্মক্ষমতাকে যথেষ্ট পরিমাণে বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম।
এই সফল সমন্বয়টি মানবদেহের শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে সমাধানযোগ্য প্রকৌশল চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করে, যা বৃহত্তর মহাকাশ অনুসন্ধানের পথ প্রশস্ত করছে। এই সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল, যার মধ্যে রয়েছে অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ান স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউটের ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড রিসার্চ ইমেজিং সেন্টার, এবং ন্যাশনাল ইমেজিং ফ্যাসিলিটি। এই নির্দিষ্ট পরীক্ষাটি বিশ্বব্যাপী সমন্বিত 'ওয়ার্ল্ডস বিগেস্ট অ্যানালগ' উদ্যোগের অংশ ছিল, যার অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে সমান্তরাল সিমুলেশন পরিচালনা করা হয়েছিল। মহাকাশচারীর ক্লান্তি কমানোর ওপর জোর দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক চাপ মিশনের সাফল্য এবং ক্রুদের স্বাস্থ্য উভয়কেই ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। উল্লেখ্য, এই প্রযুক্তি পৃথিবীতে শারীরিক পুনর্বাসনের (physical rehabilitation) ক্ষেত্রেও আশাব্যঞ্জক সম্ভাবনা দেখাচ্ছে, যা এর দ্বৈত উপযোগিতা প্রমাণ করে।
Space.com
Australia on board global analogue space mission
Exterres CRATER Facility
Australia on board global analogue space mission
#Galileo satellites prove Einstein's Relativity Theory to the highest accuracy yet. Details: esa.int/Our_Activities…