Phillip V. Tobias, alongside his colleague Ronald Clarke, brought to light one of the most intriguing chapters in human evolution with the discovery of "Little Foot," scientifically known as Stw 573. This Australopithecus fossil, unearthed from the depths of Sterkfontein Caves in
লিটল ফুট জীবাশ্ম: মানব বিবর্তনে এক নতুন প্রজাতির সম্ভাবনা
সম্পাদনা করেছেন: Aleksandr Lytviak
দক্ষিণ আফ্রিকার স্টের্কফন্টেইন গুহা ব্যবস্থায় প্রাপ্ত আদিম মানব জীবাশ্ম 'লিটল ফুট' (StW 573) একটি পূর্বে শনাক্ত না হওয়া মানব আত্মীয়কে উপস্থাপন করতে পারে বলে সাম্প্রতিক গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্মটি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছিল, যা জোহানেসবার্গের কাছে অবস্থিত 'মানবতার আঁতুড়ঘর' ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অংশ। পূর্বে বিজ্ঞানীরা এটিকে হয় *অস্ট্রালোপিথেকাস প্রোমিথিউস* অথবা *অস্ট্রালোপিথেকাস আফ্রিকানাস*-এর অন্তর্ভুক্ত মনে করতেন, কিন্তু অত্যাধুনিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই শ্রেণিবিন্যাসকে চ্যালেঞ্জ জানানো হচ্ছে।
লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক ডঃ জেসি মার্টিনের নেতৃত্বে পরিচালিত নতুন বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দেয় যে লিটল ফুটের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য পরিচিত প্রজাতি থেকে স্বতন্ত্র। মার্টিন এবং তার সহকর্মীরা অত্যাধুনিক থ্রিডি স্ক্যানিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে লিটল ফুটকে *এ. আফ্রিকানাস* এবং *এ. প্রোমিথিউস*-এর টাইপ স্পেসিমেন এমএলডি ১ (MLD 1)-এর সাথে তুলনা করেন। এই তুলনার ভিত্তিতে তারা অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় পার্থক্য চিহ্নিত করতে সক্ষম হন, যা এটিকে বিদ্যমান প্রজাতি থেকে আলাদা করে। ডঃ মার্টিনের মতে, এই নতুন তথ্য মানব বিবর্তনকে সরলরৈখিক অগ্রগতি হিসেবে না দেখে বরং একটি শাখাযুক্ত ও জটিল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখার আধুনিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করে।
অধ্যাপক অ্যান্ডি হেরিস, যিনি লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় এবং জোহানেসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, উল্লেখ করেন যে *এ. প্রোমিথিউস* শ্রেণিবিন্যাসটি একটি ত্রুটিপূর্ণ ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল—যে এই আদিম মানুষেরা আগুন ব্যবহার করত, যা বর্তমানে সঠিক বলে প্রমাণিত নয়। হেরিস আরও বলেন যে লিটল ফুটের স্বতন্ত্রতা এবং সমসাময়িক অন্যান্য জীবাশ্মের সাথে এর পার্থক্য এটিকে নিজস্ব অনন্য প্রজাতি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। জীবাশ্মটির আবিষ্কারক, প্যালিওঅ্যানথ্রোপোলজিস্ট রোনাল্ড জে. ক্লার্ক, যিনি উইটওয়াটারস্র্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসেছেন, প্রথম থেকেই স্টের্কফন্টেইনে দুটি ভিন্ন প্রজাতির হোমিনিড থাকার ধারণা পোষণ করতেন, এবং নতুন গবেষণা সম্ভবত তার এই অবস্থানকে সমর্থন করছে।
লিটল ফুট (StW 573) হলো সবচেয়ে সম্পূর্ণ আদিম হোমিনিড জীবাশ্মগুলির মধ্যে একটি, যার প্রায় ৯০% কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে খুলি, ধড়, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং পা। এর আবিষ্কারের প্রথম সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৮০ সালে যখন চারটি গোড়ালির হাড় পাওয়া যায়, যার কারণে এর নামকরণ হয় 'লিটল ফুট'। এই জীবাশ্মটি প্রায় ৩.৬ থেকে ৩.৭ মিলিয়ন বছর পূর্বেকার বলে অনুমান করা হয়, যা দক্ষিণ আফ্রিকার আদিম হোমিনিডদের শারীরস্থান এবং আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সরবরাহ করে। গবেষকরা বর্তমানে লিটল ফুট কোন প্রজাতির প্রতিনিধিত্ব করে এবং মানব বংশতালিকার কোন স্থানে এটি অবস্থান করে, তা স্পষ্ট করার জন্য অতিরিক্ত বিশ্লেষণ চালানোর পরিকল্পনা করছেন।
উৎসসমূহ
The Indian Express
Science Alert
The Guardian
Discover Magazine
The Independent
La Trobe University



