About 12,000 years ago, hunter-gatherers who inhabited a swathe of Arabian desert carved life-sized images of camels and other animals on sandstone cliffs and boulders, using rock art to mark the location of water sources in an illustration of how ancient people tackled some of
সৌদি আরবের নজফ মরুভূমিতে ১২,০০০ বছরের পুরানো উট ও বন্যপ্রাণীর শিলালিপি: এক হারানো সভ্যতার প্রতিচ্ছবি
সম্পাদনা করেছেন: Iryna Balihorodska
২০২৫ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নজফ মরুভূমির উত্তরাঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রায় ১২,৮০০ থেকে ১১,৪০০ বছর আগের সময়ের, অর্থাৎ প্রায় ১২,০০০ বছর পুরানো, ১৭৬টি খোদাই করা ছবি সহ মোট ৬২টি প্যানেল আবিষ্কার করেছেন। এই শিলালিপিগুলিতে প্রাকৃতিক আকারের উট, বন্য গাধা, ঘোড়া, ষাঁড়, অ্যান্টিলোপ, আইবেক্স, গ্যাজেল এবং উটপাখির মতো বন্যপ্রাণীর ছবি রয়েছে, যার মধ্যে কিছু প্রায় তিন মিটার লম্বা ও দুই মিটার উঁচু। এই আবিষ্কারটি সেই সময়ের কথা বলে যখন চরম খরা পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেয়ে এই অঞ্চলে আবার মরসুমী জলধারা ফিরে এসেছিল। এটি এই অঞ্চলে মানুষের পরিচিত উপস্থিতির তারিখকে পূর্বের ধারণার চেয়ে ২০০০ বছর এগিয়ে নিয়ে যায়, প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্যে একটি উল্লেখযোগ্য শূন্যতা পূরণ করে।
এই আবিষ্কারটি ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর জিওঅ্যানথ্রোপলজি-এর মারিয়া গুয়াগনিন, সৌদি প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য কমিশনের ফয়সাল আল-জিবরিন এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের কেরি শিপটনের নেতৃত্বে পরিচালিত 'গ্রিন অ্যারাবিয়া' নামক একটি বৃহৎ প্রত্নতাত্ত্বিক প্রকল্পের অংশ ছিল, যা সৌদি প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য কমিশন দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল।
গবেষকদের মতে, এই 'পাথরের গ্যালারিগুলি' কেবল সজ্জার জন্যই নয়, বরং উপস্থিতি, প্রবেশাধিকার এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এগুলি জলের উৎস এবং প্রাণীদের পরিভ্রমণের পথ নির্দেশ করত, যা সম্ভবত আঞ্চলিক অধিকার এবং আন্তঃউপজাতি স্মৃতি সংরক্ষণে সহায়ক ছিল। পূর্বে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে, প্রত্নতাত্ত্বিকরা নজফ মরুভূমিতে বিশাল আকারের শিলালিপি খুঁজে পেয়েছিলেন, যা প্রায় ১২,০০০-১১,০০০ বছর আগে তৈরি হয়েছিল। সেই ছবিগুলি মানুষকে শুষ্ক মরুভূমিতে জল খুঁজে পেতে সাহায্য করার জন্য অনন্য 'রাস্তার চিহ্ন' হিসেবে কাজ করত।
এই নতুন আবিষ্কৃত শিলালিপিগুলি সেই সময়ের মানুষের জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতির উপর মূল্যবান আলোকপাত করে। লেভান্টাইন-শৈলীর পাথরের ফলা, সবুজ রঞ্জক এবং ঝিনুকের পুঁতির মতো আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তুগুলি দূরবর্তী সংযোগের এই অনুমানগুলিকে সমর্থন করে। এটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রাচীন জনগোষ্ঠী প্রতিকূল জলবায়ু পরিস্থিতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিল। গবেষকরা মনে করেন, এই বিশাল খোদাইগুলি কেবল শিল্পকর্ম ছিল না, বরং এগুলি ছিল উপস্থিতি, প্রবেশাধিকার এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রকাশ। এই শিল্পকর্মগুলি সম্ভবত জলের উৎস এবং পরিভ্রমণ পথ নির্দেশ করত, যা আঞ্চলিক অধিকার এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্মৃতি সংরক্ষণে সহায়ক ছিল।
কিছু খোদাই এত উঁচুতে এবং দুর্গম স্থানে করা হয়েছে যে, সেগুলি তৈরি করতে গিয়ে শিল্পীদের চরম ঝুঁকি নিতে হয়েছে, যা তাদের সাহস এবং দক্ষতার পরিচয় দেয়। এই আবিষ্কারগুলি সৌদি আরবের নজফ মরুভূমির প্রাচীন অধিবাসীদের সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে এবং প্রতিকূল পরিবেশে তাদের টিকে থাকার অসাধারণ ক্ষমতাকে তুলে ধরে। এই শিলালিপিগুলি সেই সময়ের মানুষের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবেশের সাথে তাদের গভীর সংযোগের ইঙ্গিত দেয়।
উৎসসমূহ
ZN.UA
В пустыне обнаружили древние «дорожные знаки»
Загадочные наскальные рисунки найдены в аравийской пустыне



