জেনোমিক্স ক্ষেত্রে একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত উন্নত জিনোমিক্স বিশ্লেষণ সংস্থা ডিপ্লয়েড জিনোমিক্স, ইনকর্পোরেটেড (DGI) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। এই সূচনাটি স্বাস্থ্য-প্রযুক্তি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থা হেলথিয়ার ক্যাপিটাল-এর সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন জিনোমিক্সের পথিকৃৎ ডঃ জে. ক্রেইগ ভেন্টার। DGI-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হলো জটিল রোগের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত ফলাফলগুলিকে আরও বেশি পূর্বাভাসযোগ্য, পরিমাপযোগ্য এবং কার্যকর করার জন্য একটি পরবর্তী প্রজন্মের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। এই উদ্যোগটি ডেটা-চালিত অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার উন্নয়নে পরিবর্তন আনার আকাঙ্ক্ষা রাখে।
এই নতুন সংস্থাটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অত্যাধুনিক মডেলগুলিকে জিনোমিক সিকোয়েন্সিং, উন্নত ইমেজিং এবং বিস্তৃত স্বাস্থ্য তথ্যের সাথে একীভূত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এই সমন্বয়ের লক্ষ্য হলো গবেষক, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং রোগীদের জন্য উচ্চতর নির্ভুলতার সাথে রোগ নির্ণয়ের অন্তর্দৃষ্টি সরবরাহ করা। হেলথিয়ার ক্যাপিটাল এই উদ্যোগের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাজ করেছে এবং সম্প্রতি সমাপ্ত হওয়া সিরিজ সিড তহবিল রাউন্ডে একমাত্র বাহ্যিক বিনিয়োগকারী ছিল। সংস্থাটি সান দিয়েগোতে তাদের নিজস্ব সিকোয়েন্সিং কেন্দ্র স্থাপন করছে এবং এআই দ্বারা উন্নত ক্লিনিকাল-গ্রেড সিকোয়েন্সিং প্রদানের জন্য সিএলআইএ (CLIA) সার্টিফিকেশন লাভের পরিকল্পনা করছে।
হেলথিয়ার ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং পার্টনার, আমির দান রুবিন, বিশ্বাস করেন যে DGI-এর এই এআই-নির্ভর পদ্ধতিটি রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা বিকাশের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনবে। রুবিন পূর্বে অ্যামাজন ওয়ান মেডিকেলের সিইও ছিলেন, যে সংস্থাটি তিনি ২০২০ সালে পাবলিক করেছিলেন এবং ২০২৩ সালের শুরুতে অ্যামাজনের কাছে ৩.৯ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছিলেন। হেলথিয়ার ক্যাপিটাল ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে তাদের প্রথম তহবিল রাউন্ডে ২২০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করে, যা অতিরিক্ত সাবস্ক্রাইবড হয়েছিল।
DGI তার সূচনা থেকেই একটি উচ্চ-লিভারেজ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নকশা করা হয়েছে, যা একটি উচ্চ-পারফরম্যান্স অংশীদার ইকোসিস্টেম দ্বারা চালিত। সংস্থাটি তাৎক্ষণিক গভীর অ্যাক্সেস লাভ করেছে মালিকানাধীন ডেটা সম্পদের মাধ্যমে, যার মধ্যে রয়েছে প্যাকবায়ো (PacBio) এবং অক্সফোর্ড ন্যানোপোর (Oxford Nanopore) থেকে প্রাপ্ত সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি, অনন্য কম্পিউটিং পরিকাঠামো, এবং জে. ক্রেইগ ভেন্টার ইনস্টিটিউট (JCVI) থেকে প্রাপ্ত ডেটা। এই নতুন সংস্থাটি JCVI-এর দক্ষতা কাজে লাগিয়ে গঠিত হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডঃ ভেন্টার, অ্যান্ডার্স ডেল পিএইচ.ডি., এবং ইউজিন মায়ার্স পিএইচ.ডি.। ডঃ ভেন্টার প্রথম মানব জিনোমের খসড়া সিকোয়েন্সিং করার পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।




