শহরের ফ্ল্যাটে বড় বা লম্বা লোমওয়ালা কুকুরকে স্নান করানো সবসময়ই মালিকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, তবে ২০২৬ সালে বাজারে আসা কমপ্যাক্ট এআই ওয়াশিং স্টেশনের কারণে এই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। খোলা শাওয়ার ক্যাপসুলের মতো এই যন্ত্রগুলো কোনো মানুষের সাহায্য ছাড়াই পানি দিয়ে ভেজানো থেকে শুরু করে শুকানো পর্যন্ত পুরো কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘সেন্সর ভিশন’ প্রযুক্তি, যা শরীরের ময়লা শনাক্ত করে প্রতিটি অংশের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পানির চাপ নির্ধারণ করে।

‘পেট-টেক গ্লোবাল’-এর রোবটিক্স বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এলেনা রিচি বলেন, “আমরা এখন সাধারণ স্নানের পরিবর্তে পোষা প্রাণীর নিখুঁত পরিচর্যার স্তরে পৌঁছেছি।” যন্ত্রের নজলে থাকা সেন্সরগুলো ত্বকের পিএইচ মাত্রা বিশ্লেষণ করে এবং কোনো চর্মরোগ বা পরজীবীর উপস্থিতি খালি চোখে ধরা পড়ার আগেই মালিককে সংকেত দিতে পারে। এটি এখন আর শুধু স্নান করানো নয়, বরং পোষা প্রাণীর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উদ্ভাবকরা প্রাণীদের মানসিক প্রশান্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন। ড্রায়ারের বিকট শব্দের বদলে এখানে ‘এয়ার ল্যামিনার ফ্লো’ প্রযুক্তি এবং মায়ের হৃদস্পন্দনের মতো শান্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে অতি ভীতু কুকুরও কোনো চাপ ছাড়াই স্নান করতে পারে। সামোয়েড বা আফগান হাউন্ডের মতো বড় লোমশ কুকুরের মালিকদের জন্য এটি বিশাল স্বস্তি নিয়ে এসেছে, কারণ তিন ঘণ্টার দীর্ঘ পরিশ্রম এখন মাত্র ২৫ মিনিটে শেষ হয়।



