মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) কাতার সফরে যাচ্ছেন। এই সফরটি গাজার চলমান সংঘাত এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রুবিও ইসরায়েল সফরের পর কাতার সফরে যাচ্ছেন, যেখানে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গাজার পরিস্থিতি এবং দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
রুবিওর এই সফর এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কাতারের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা শীতল। সম্প্রতি দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কাতার তীব্র নিন্দা জানায়। এই হামলার পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। রুবিও কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, গাজা উপত্যকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
রুবিও উল্লেখ করেন যে, "আমাদের হাতে আর মাস নয়, সম্ভবত দিন এবং কয়েক সপ্তাহ সময় আছে" একটি চুক্তি সম্পাদনের জন্য। তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই তারা জানুক যে, যদি বিশ্বের কোনো দেশ আলোচনার মাধ্যমে এটি শেষ করতে সাহায্য করতে পারে, তবে সেটি কাতার"। তবে, ইসরায়েলি হামলার পর কাতারের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "ইসরায়েলি হামলার পর তারা (কাতার) এখনও জড়িত থাকতে চায় কিনা তা নির্ভর করে"।
রুবিওর এই সফরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে একটি উন্নত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার সংঘাত নিরসনে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের উপর জোর দেবে। এই সফরটি মার্কিন-কাতার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায় উন্মোচন করতে পারে, যা এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।



