২০২৬ সালের মার্চে মুক্তি পাচ্ছে 'পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমর্টাল ম্যান'
সম্পাদনা করেছেন: An goldy
ব্রিটিশ অপরাধ জগতের রোমহর্ষক কাহিনী নিয়ে নির্মিত জনপ্রিয় সিরিজ 'পিকি ব্লাইন্ডার্স'-এর ভক্তদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। কিলিয়ান মারফি আবারও তার আইকনিক চরিত্র টমি শেলবি হিসেবে বড় পর্দায় ফিরছেন 'পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমর্টাল ম্যান' চলচ্চিত্রে। ১৯৪০ সালের বার্মিংহামের প্রেক্ষাপটে, যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজছে, তখন টমিকে তার স্বেচ্ছায় নেওয়া নির্বাসন ভেঙে আবারও অন্ধকার জগতে ফিরে আসতে হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং নতুন এক শত্রুর উত্থান তাকে বাধ্য করে তার পুরনো পরিচয়কে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে।
এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন সিরিজের মূল কারিগর স্টিভেন নাইট এবং পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন টম হার্পার, যিনি সিরিজের প্রথম সিজনেই তার মুন্সিয়ানা দেখিয়েছিলেন। বার্মিংহামে ফিরে টমি এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সম্মুখীন হন; তিনি দেখেন তার অবৈধ পুত্র ডিউক শেলবি (ব্যারি কিওগান) এখন গ্যাংয়ের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। অ্যাডা শেলবির (সোফি রান্ডল) ভাষায়, ডিউক এখন এমন এক কঠোর ও নৃশংস পদ্ধতিতে দল পরিচালনা করছে, যা ১৯১৯ সালের সেই আদি ও রক্তাক্ত দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।
গল্পের মোড় আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে যখন টিম রথ অভিনীত একজন ব্রিটিশ ফ্যাসিবাদী সহযোগী ডিউককে প্ররোচিত করার চেষ্টা করে। তার লক্ষ্য ছিল ডিউককে ব্যবহার করে জার্মানির পক্ষে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। এই সংকটময় মুহূর্তে টমি শেলবিকে কেবল নিজের পরিবারের ঐতিহ্য নয়, বরং দেশের অস্তিত্ব রক্ষায়ও রুখে দাঁড়াতে হয়। নিজের ভেতরের মানসিক যন্ত্রণা এবং উত্তরাধিকার রক্ষার লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে টমিকে এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সিনেমাটি ২০২৬ সালের ৬ মার্চ থেকে নির্দিষ্ট কিছু প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে।
বিশ্বব্যাপী দর্শকদের জন্য নেটফ্লিক্স ২০২৬ সালের ২০ মার্চ এই চলচ্চিত্রটি তাদের প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত করবে। এই সিনেমার মাধ্যমেই টমি শেলবির দীর্ঘ ও জটিল জীবনকাহিনীর একটি চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিলিয়ান মারফি, ব্যারি কিওগান এবং টিম রথ ছাড়াও এই শক্তিশালী কাস্টে যোগ দিয়েছেন স্টিভেন গ্রাহাম এবং রেবেকা ফার্গুসন। উল্লেখ্য যে, ২০২২ সালে ষষ্ঠ সিজন শেষ হওয়ার পর মহামারীর কারণে সপ্তম সিজন নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় স্টিভেন নাইট একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এই মহাকাব্যটি শেষ করার পরিকল্পনা করেন।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মনোরম ও ঐতিহাসিক স্থানে চিত্রায়িত এই সিনেমার মোট দৈর্ঘ্য ১ ঘণ্টা ৫২ মিনিট। স্টিভেন নাইট প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, এটি হবে 'পিকি ব্লাইন্ডার্স'-এর চিরচেনা মেজাজে বলা এক অনন্য ও সুনির্দিষ্ট গল্প। তবে টমি শেলবির অধ্যায় শেষ হলেও ভক্তদের নিরাশ হওয়ার কারণ নেই। ১৯৫৩ সালের বার্মিংহামের পটভূমিতে শেলবি পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকে নিয়ে আরও দুটি স্পিন-অফ সিরিজ নির্মাণের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
5 দৃশ্য
উৎসসমূহ
Le Figaro.fr
GameStar
The Business Standard
The Times of India
Wikipedia
Screen Rant
Screen Rant
The Times of India
Wikipedia
Vital Thrills
The Guardian
The Economic Times
Hindustan Times
The Times of India
Wikipedia
Radio Times
Gagadget.com
এই বিষয়ে আরও খবর পড়ুন:
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।



